চট্টগ্রাম থেকে: ভারতের সাবেক ক্রিকেটার লালচাঁদ রাজপুত জিম্বাবুয়ে দলের কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন বেশিদিন হয়নি। তার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল সাউথ আফ্রিকা সফর। সেখানে জয় না পেলেও লড়াই করেছে শিষ্যরা। বাংলাদেশে এসে লড়াইয়ের আভাস দিলেও স্লগ ওভারের বোলিং ও অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের প্রয়োজনের সময় জ্বলে উঠতে না পারায় হারতে হয়েছে প্রথম ওয়ানডে।
চট্টগ্রামে বুধবার সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নামবে জিম্বাবুয়ে। সফরকারী দলের কোচ লালচাঁদ খুব আশাবাদী সিনিয়র ব্যাটসম্যানরা বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ভেঙে দেবে হারের বৃত্ত। সাগরিকার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে লালচাঁদ বললেন সেকথাই।
‘সিনিয়র ক্রিকেটারদের দায়িত্ব নিতে হবে। মাসাকাদজা প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছিল। আশা করি এই সিরিজেও সেটি বয়ে আনতে পারবে। ব্রেন্ডন টেইলর শুরুটা ভালো করছে, শেষ করতে পারছে না। আশা করি ওর বড়স্কোর আসবে। বিশ্বাস করি ওরা বড় স্কোরের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে। নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, শিগগিরই বড় রান আসছে।’
‘প্রথম ম্যাচে আমাদের আরও ভালো ব্যাটিং করা দরকার ছিল। শুরুর পাঁচ ব্যাটসম্যানকে দায়িত্ব নিতে হবে এবং একজনকে বড় স্কোর করতে হবে। তাহলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। প্রথম ম্যাচে কঠিন পরিস্থিতির পরও আমরা লড়াই করতে পেরেছি। জার্ভিস ও উইলিয়ামস খুব ভালো ব্যাট করেছে। কিন্তু কিছু জায়গায় ঘাটতি ছিল সেটি প্রথম সারির পাঁচে।’ যোগ করেন সফরকারী কোচ।
আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৭১ রানের পুঁজি পায়। যদিও শুরুটা ভালো ছিল না। ব্যাটিংয়ে যারা ধারাবাহিক সেই মুশফিক-রিয়াদের রানে ফেরা সময়ের ব্যাপার বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাও।
‘টপঅর্ডারে রান হলে মিডলঅর্ডারে এক্সপোজ হয় না। আমাদের ক্ষেত্রে লেট-মিডল অর্ডারও এক্সপোজ হয়ে যায়। এবার সেখান থেকে ফিরে আসতে পেরেছি। এটা কিন্তু আমাদের ওপরে যেতে সহায়তা করবে। সবসময় যদি মুশফিক-রিয়াদ পর্যন্ত গিয়ে খেলা শেষ করেন এবং বড় স্টেজে গিয়ে যখন এটা হবে না তখন টিম ডাউন হয়ে যায়। এটা একদিক থেকে ভালো। মিডলঅর্ডারের পরও যে লেট-মিডলঅর্ডার এক্সপোজ হয়েছে, সেটা ভালো। ওরা রান করেছে। আবার পরপর তিন উইকেট পড়াটা ভালো কিছু না। সবাই রানে আছে। ওদের(মুশফিক-রিয়াদ) রানে ফেরাটা সময়ের ব্যাপার।’










