বড়দিন এর ছুটিতে কী করবেন ভেবেছেন? সবসময়ের ব্যস্ততার ফাঁকে একটুখানি এই অবসরটাকে কাজে লাগাতে পারেন বড়দিনের কয়েকটি সিনেমা দেখে। সবসময়েই যেন নতুন এই ছবিগুলো। যতবার দেখবেন ততবারই ক্রিসমাসের আমেজ পাবেন। জেনে নিন তেমন পাঁচটি সিনেমা সম্পর্কে:
লাভ অ্যাকচুয়ালি: ‘লাভ অ্যাকচুয়ালি’ ছবিটিকে অনেকে সর্বকালের সেরা রোমান্টিক ছবি বলে থাকেন। রোমান্টিক কমেডি এই ছবিতে অভিনয় করেছেন হিউ গ্রান্ট ও কলিন ফির্থ। বড়দিনের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে লন্ডনের বাসিন্দাদের ৮টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে রিচার্ড কার্টিস তৈরি করেছেন এই অল-স্টার ছবি।
হোম অ্যালোন: ১৯৯০ সালে নির্মিত হোম অ্যালোন ছবিটি দেখেননি এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। ৮ বছর বয়সী ক্যাভিন বড় পরিবারের ছোট সন্তান। তাকে রেখে তার পরিবার ক্রিসমাসের ছুটি কাটাতে যায়। এরপর ঘটে রোমাঞ্চকর সব ঘটনা।
ন্যাশনাল ল্যামপুন’স ক্রিসমাস ভ্যাকেশন: ন্যাশনাল ল্যামপুনের ভ্যাকেশন সিরিজের তৃতীয় ছবি হলো ‘ন্যাশনাল ল্যামপুন’স ক্রিসমাস ভ্যাকেশন’। ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন জেরেমিয়াহ চেচিক। ছবিতে ক্রিসমাস ট্রি সংগ্রহ করতে যাওয়া, সংগ্রহ করা, সেটা ঘরে নিয়ে আসা, সাজানো–সব মিলিয়ে ঘটে মজার সব ঘটনা।
এলফ: কমেডি ছবি ‘এলফ’ এর কাহিনী গড়ে উঠেছে ক্রিসমাস, সান্টা ক্লজ, এলফ আর উত্তর মেরুর খেলনার জগৎ নিয়ে। বড়দিনের উৎসবে ছোট্ট একটি শিশু সান্তা ক্লজের স্লেজে ভুল করে উঠে পড়ে। চলে যায় উত্তর মেরুতে। সেখানে এলফদের কাছে বড় হয় সে। একসময় সে বুঝতে পারে সে এলফ নয় মানুষ। তখন নিজের পরিচয়ের খোঁজে মানুষের মাঝে এসে একের পর এক মজার কাণ্ড ঘটায় সে।
অ্যা ক্রিসমাস স্টোরি: ১৯৮৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই কমেডি ছবিটি তৈরি হয়েছে জ্যঁ শেফার্ডের ছোটগল্প ও কাল্পনিক উপাখ্যান মেশানো গ্রন্থ ‘ইন গড উই ট্রাস্ট : অল আদার্স পে ক্যাশ’ অবলম্বনে। শৈশবে যে কোন উৎসবই আনন্দের। আর বড়দিন তো বটেই। শৈশবে বড়দিনের আনন্দের আবহ এতে সুন্দর করে এই ছবিতে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক বব ক্লার্ক। -দ্য মিউজ







