বার্সেলোনার মেসি এবং নেইমার সম্ভবত বর্তমান ফুটবলে বিশ্বের সেরা বন্ধু জুটি। কিন্তু সেই দুই বন্ধুই আজ একদিনের জন্য বন্ধুর শক্রু। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেই মহা ম্যাচ! আড়াই বছর আগে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে যে মাঠে নিদারুণ লজ্জায় ঢেকেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখ সেই বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি ব্রাজিল। স্বভাবতই এই ম্যাচ ঘিরে ফুটবল দুনিয়ায় উন্মাদনা তুঙ্গে। ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায়।
গত বিশ্বকাপের সেই দুঃসহ স্মৃতি ভুলে আপাতত ব্রাজিল সামনে তাকিয়ে। টিটে জাতীয় দলের কোচ হয়ে আসার পর বেশ ধারাবাহিকই ‘সেলেকাওরা’। পরপর বেশ কয়েকটি ম্যাচে জিতে এই মুহূর্তে প্রাক বিশ্বকাপের লাতিন আমেরিকান গ্রুপে সবার শীর্ষে ব্রাজিল।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে শেষ কয়েকটা ম্যাচে বেশ নড়বড়ে এমনকি, মেসির হঠাৎ পাওয়া চোটও চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল কোচ এডগার্ডো বাউজাকে। তবে, ‘এল এম টেন’ আবারও মাঠে প্রত্যাবর্তন ঘটানোর পর আর্জেন্টিনা নতুন করে চাকা ঘোরানোর অপেক্ষায়। সেজন্য চিরশত্রু দেশের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার জয়কেই পাখির চোখ করেছে মেসিবাহিনী।

এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন দুই বার্সার সুপারস্টার। মুখোমুখি লড়াইতে অবশ্য এগিয়ে মেসি। তিনবার জিতেছেন তিনি। এর মধ্যে একবার ক্লাব বিশ্বকাপে। দুবার জাতীয় দলের জার্সি। আর মেসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত সুপার ক্লাসিকোতে মেসির পেনাল্টি মিসের ম্যাচে নেইমারের গোলে জয় পেয়েছিল ব্রাজিল।
মাঠে নামার আগে অবশ্য মেসিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন নেইমার। বলেছেন, ‘বিশ্বের সেরা ফুটলারের কাছ থেকে প্রতিদিনই অনেক কিছু শিখছি। টেলিভিশনের আমি যে মেসিকে দেখেছি তার চেয়ে অনেক গ্রেট মাঠের মেসি।’
ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন মেসিই। তবে ব্রাজিল কোচ টিটো বলেছেন, আর্জেন্টিনার তুরুপের তাসকে আটকানোর পরিকল্পনা মনে মনে ছকে রেখেছেন তিনি। ব্রাজিল শিবিরে যেমন মেসি আতঙ্ক আছে, নেইমারকে নিয়ে একই রকম আবহ আর্জেন্টাইন শিবিরেও।







