গ্যালারিতে অদ্ভুত তিন প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ‘ত্রিদেব অব টি-টুয়েন্টি’। এবি ডি ভিলিয়ার্সের ছবিতে লেখা ব্রহ্মা, বিরাট কোহলির ছবিতে বিষ্ণু। ক্রিস গেইল মহেশ্বর। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর প্রধান দেবতা। ভারতীয় সমর্থকদের চোখে টি-টুয়েন্টির প্রধান ‘দেবতা’ও ওই তিন ক্রিকেটার। কিন্তু তাদের কল্যাণেও হাসতে পারছে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সমর্থকরা।
শনিবার রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের বিপক্ষে ৯৬ রানে থেমে ৬৬ রানের হার দেখতে হয়েছে দলটিকে। এর আগে কলকাতার বিপক্ষে তাদের ৪৯ রানেও গুটিয়ে যেতে দেখা গেছে। যা কিনা আইপিএলের ইতিহাসে সর্বনিন্ম স্কোর!
টানা অফফর্মের কারণে এদিন অবশ্য একাদশে ছিলেন না ক্রিস গেইল। ছিলেন না শেন ওয়াটসনও। অন্য যারা খেলেছেন তারা তথৈবচ। টস জিতে আগে ফিল্ডিং করে পুনেকে ১৫৭ রানে আটকে ফেলে কোহলির বোলাররা। পুনের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক স্টিভেন স্মিথ। ধোনি অপরাজিত ছিলেন ২১ রানে। সঙ্গে মনোজ তেওয়ারি ৪৪।
টার্গেটের পথে হাঁটতে যেয়ে ১১ ব্যাটসম্যান মিলে করেছেন ৯৬। তার মধ্যে কোহলি একাই ৫৫! অন্যদের মধ্যে কেউ ১০’র ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।
টি-টুয়েন্টি মানে পাওয়ার প্লেতে নিজেদের ক্ষমতা দেখানো। আরসিবি সেই ক্ষমতা দেখাতে যারপরনাই ব্যর্থ। এই মৌসুমে পাওয়ার প্লেতে তারা ১৭টি উইকেট হারিয়েছে। অন্য কোনও দল এত উইকেট হারায়নি।
যে ভিলিয়ার্সকে নিয়ে দলটির অনেক আশা, সেই তিনি টানা তিন ম্যাচে ফ্লপ। স্কোর ৮, ৫, ৩। আইপিএলের ইতিহাসে টানা তিন ম্যাচে একক সংখ্যার এমন ‘কষ্ট’ আগে তাকে পেতে হয়নি।
পুনের ইমরান তাহির এদিন ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৮ রান দিয়ে তিনজনকে ফিরিয়েছেন। দুই উইকেট নিয়েছেন ফার্গুসন।
এই ম্যাচের পর পয়েন্ট টেবিলে পুনে চতুর্থস্থানে।
বেঙ্গালুরু দ্বিতীয়; তবে নিচের দিক থেকে!







