বল হাতে চার উইকেট, ব্যাটে ৩১ বলে ৪৪ রানের ইনিংস। টি-টুয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়া শফিউল ইসলাম বিকেএসপিতে দেখালেন অলরাউন্ড নৈপুণ্য। তবুও ২৮ রানে হার দেখল অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে শফিউলের ৩ ছক্কা ও এক চারের ঝড়ো ইনিংস শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে বড় জয় পেতে দেয়নি। ২৯৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা অগ্রণী ব্যাংক ৫ বল আগেই অলআউট হয় ২৬৬ রানে। লিগে টানা দুই জয় পেল শেখ জামাল।
অগ্রণী ব্যাংকের কোন ব্যাটসম্যানই ফিফটি পাননি। তবে চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস তিনটি। ধীমান ঘোষ ৪৮, শফিউল ইসলাম ৪৪ ও পাকিস্তানি ক্রিকেটার রাফাতউল্লাহ’র ব্যাটে আসে ৪৩ রান।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট খেলে প্রিমিয়ার লিগে ফেরা আব্দুর রাজ্জাক খেলেন ১২ বলে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। আগের ম্যাচে ৮৯ রানের ইনিংস খেলা সৌম্য সরকারের ব্যাটে আসে ২২ রান।
শেখ জামালের দুই বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু ও ইলিয়াস সানি নেন তিনটি করে উইকেট। সোহাগ গাজী দুটি, জিয়াউর রহমান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি দলে ডাক পাওয়া আবু জায়েদ রাহি নেন একটি করে উইকেট।
আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৬ রানে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়েও মিডলঅর্ডার ও লোয়ারমিডঅর্ডার ব্যাটসম্যনদের দারুণ ব্যাটিংয়ে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে শেখ জামাল।
সাত নম্বরে নামা তানবীর হায়দারের ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৭১ রান। খেলেন মাত্র ৪৮ বল। তার ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও পাঁচটি চারের মার। ভারতীয় রিক্রুট দিগ্বিজয় রানগী ৫৮, সৈকত আলী ৪৩, ইলিয়াস সানি ৪০ ও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে আসে ৩৬ রান।
১০ ওভারে ৬৮ রান দিয়ে চার উইকেট নেন শফিউল। আব্দুর রাজ্জাক ও সৌম্য সরকার নেন দুটি করে উইকেট। আল-আমিন হোসেন নেন একটি উইকেট।








