লিটন দাসের সঙ্গে দারুণভাবে উইকেটে জমে গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৬১ রান। আগের দুই ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতে না পারার আক্ষেপ ঘোচানোর পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাকিব। দুজনের সাবলীল ব্যাটিংয়ে হঠাৎ ঘটেছে ছন্দপতন। অবশ্য লিটন ছুটছেন টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিকে।
চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ ৩১ ওভার ৪ উইকেটে ১৩৩ রান তুলেছে।
লিটন ৯৯ বলে ৬ চারে ৭৬ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭ বলে ১ রান করে ক্রিজে আছেন।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে এক রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন লিটন। পরের ম্যাচে ছিলেন ক্ল্যাসিক। ১২৬ বলে ১৬ চার ও ২ ছক্কায় খেলেছিলেন ১৩৬ রানের ইনিংস। সোমবার নিজের ৫০তম ওয়ানডেতে নেমে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। সাবলীল ব্যাটিং করে পেরিয়ে গেছেন ফিফটি।
আজমতউল্লাহ উমারজাইয়ের শর্ট অফ লেন্থের বল রক্ষণাত্মকভাবে খেলতে দেরি করে ফেলেন সাকিব। বল ব্যাটের কানায় লেগে ফাঁক গলে স্টাম্পে আঘাত হানে। ৩৬ বলে ৩ চারে ৩০ রানে থামে ইনিংস। সিরিজে ২০ গড়ে ৬০ রান তুলেছেন মি. অলরাউন্ডার।
সাকিবের বিদায়ের পর রানের গতি আবারো কমতে থাকে। আগের ম্যাচে ৮৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। ১৫ বলে ৭ রান করে রশিদ খানের বলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন এদিন।
মুশফিকের পর ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি ইয়াসির আলী রাব্বি। এক রান করে রশিদের বলে প্রথম স্লিপে থাকা রহমত শাহকে ক্যাচ দেন।
আগের দুই ম্যাচে ব্যাটে ব্যর্থ ছিলেন তামিম। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৮ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে ১২ রানের বেশি যেতে পারেননি। চট্টগ্রামের ঘরের ছেলের ব্যাট এদিনও রান আসেনি। ২৫ বলে এক চারে ১১ রান করে ফজলহক ফারুকির বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছেড়েছেন।







