তিন পেসার শুরু থেকে গতি আর সুইং দিয়ে বিভ্রান্ত করে যান। মাঝখানে স্পিনাররা চাপ সৃষ্টি করেন। পুরো ৫০ ওভারেই এই চিত্র বজায় ছিল। তাতে আয়ারল্যান্ড ১৮১ রান করতে পেরেছে। টাইগার ব্যাটসম্যানরা এই পথ সহজে অতিক্রম করতে না পারলে, সেটা হবে বিস্ময়ের।
টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে রুবেল হোসেনের হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি। সুইং আর বাউন্সের পসরা সাজিয়ে মেডেন নেন। এরপর মোস্তাফিজুর রহমান এসে প্রথম আঘাত হানেন। দুই ইনসুইঙ্গার করার পর তৃতীয় ডেলিভারিতে উইকেট নেন।
ব্যাক অব লেন্থে লাফিয়ে ওঠা বল ডিফেন্স করতে যান পল স্টার্লিং। বল ব্যাটের কানা নিয়ে চলে যায় শর্ট থার্ডম্যানে। মোস্তাফিজের এই ওভারটিও মেডেন যায়।
ষষ্ঠ ওভারে মাশরাফি বল হাতে তুলে নেন। উইকেট না পেলেও অফস্টাম্পের বাইরে লাইন আর লেন্থে দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছেন। ভেতরে আইটেম স্পিনার মোসাদ্দেককে ব্যবহার করে দ্বিতীয় সাফল্য পান অধিনায়ক। নবম ওভারে পোর্টারফিল্ডকে (২২) বিদায় করেন তরুণ অলরাউন্ডার।
১৫তম ওভারে সাকিব আল হাসান আক্রমণে এসে দলের জন্য তৃতীয় সাফল্য আনেন। বেলব্রিনিকে (১২) দারুণ এক আর্ম ডেলিভারিতে ভড়কে দেন। ভুল লাইনে ডিফেন্স করতে যেয়ে বোল্ড হন আইরিশ ব্যাটসম্যান।
সিনিয়র বোলারদের সাফল্যের দিনে অভিষিক্ত সানজামুল নিজেকে কিছুটা হলেও চিনিয়েছেন। নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন। ওপেনার এড জয়েসকে অর্ধশতক থেকে চার রান দূরে থাকতে তামিমের ক্যাচ বানান। এরপর আরও একটি উইকেট নেন। মাশরাফি তাকে পাঁচবার ব্যবহার করেন। রান খরচ করেন ২২।
মোস্তাফিজকে এদিন চেনা রূপে দেখা গেছে। নিজের প্রথম ৮ ওভারে ২২ রান দিয়ে চারজনকে ফেরান। তিনি বলে আসলেই স্লিপে তিনজন রাখছিলেন মাশরাফি। অফস্টাম্পের বাইরে মাপা লেন্থের বল আর কাটার দিয়ে ব্যাটসম্যানদের অহরহ বিভ্রান্ত করে গেছেন। মোট ৯ ওভার বল করেন তিনি। তাতে ২৩ রান খরচ করে ওই চারটি উইকেট নিয়েছেন।
মাশরাফি ৬.৩ ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। সাকিব আল হাসান ৯ ওভারে ৩৮ দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট। রুবেল শুরুতে আইরিশদের চাপে রাখলেও উইকেট নিতে পারেননি।
ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ এদিন নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছে। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর দ্বিতীয়টি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার উইকেটে হেরে যায় মাশরাফিরা।







