চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ব্যাংকে তারল্য সংকট নেই: প্রধানমন্ত্রী

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৭:৩৯ অপরাহ্ণ ১৭, জুন ২০১৯
- সেমি লিড, অর্থনীতি
A A
ব্যাংক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যাংকে তারল্য সংকট নেই। ব্যাংকে টাকা আছে, তবে লুটে খাওয়ার মতো টাকা নেই।

বাসস জানায়, সোমবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে সম্পূরক বাজেটের উপর সমাপনী ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্পূরক বাজেটের আলোচনায় অংশ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, ব্যাংকে টাকা নেই। আমি বলছি টাকা থাকবে না কেন, টাকা আছে তবে লুটে খাওয়োর মতো টাকা নেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখন যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলেই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশ্বে অনেক দেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা চলতে পারছি। সারা বিশ্ব আজ অবাক হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের বিষ্ময়।

তিনি বলেন, প্রতি বাজেটেই সরকারের উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন, জিডিপির প্রবৃদ্ধি, জনগণের চাহিদা ও আকাঙ্খার প্রতিফলন ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে সরকারের রাজস্ব আদায় ও ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়। এই প্রাক্কলন সংঙ্গত কারণেই একটু বেশি করা হয়। রাজস্ব হার প্রাক্কলনে অনেকটা উচ্চাভিলাসী হওয়ার প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। এটা সমৃদ্ধি আগামীর পথে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রেরণা যোগায়। গত এক দশকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প। কোন মানুষের যদি উচ্চাভিলাস না থাকে, সে কিছু অর্জন করতে পারে না। বিগত বছরগুলোকে বাজেট বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান এই কথাই প্রমাণ করে, আমাদের লক্ষ্যসমূহ সব সময়ই বাস্তবভিত্তিক ছিল। যা পরবর্তী সময়ে বাজেট আলোচনায় বিস্তারিত বলার সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার কারণেই বাজেটের কিছুটা সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়। প্রতিবছরই এটা করে থাকি। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে যেসব সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনুমানসমূহের উপর ভিত্তি করে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে দেশীয় ও বৈশ্বিক নানা ঘটনার কারণে সেসব সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনুমানসমূহের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেট প্রণয়নকালে সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচনাগুলোর মধ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৮ শতাংশ অনুমান করা হয়েছিল। সংশোধিত বাজেটে তা ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ হবে বলে অনুমান করছি। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, যা আমরা সাফল্যজনকভাবে অতিক্রম করতে পারবো বলে আশা করছি।

Reneta

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ অনুমান করা হলেও সংশোধিত মূল্যস্ফিতি ধার্য্য করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং প্রাক্কলিত জিডিপি ২৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮শ’ কোটি টাকার পরিবর্তে কিছুটা কমিয়ে ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি যখন বৃদ্ধি পায় তখন মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পাওয়ার কথা, যেহেতু আমরা বাজেট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অত্যন্ত সতর্ক তাই সবসময় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মূল বাজেটে রাজস্ব বাবদ প্রাক্কলিত ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা থেকে ২২ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা হ্রাস করে সংশোধিত বাজেটে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এরমধ্যে এনবিআর রাজস্ব বাবদ প্রাক্কলিত ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা থেকে ১৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত বাজেটে ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা এনবিআর বহির্ভূত রাজস্ব বাবদ মূল বাজেটে প্রাক্কলিত ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা থেকে সংশোধিত বাজেটে ১২৭ কোটি টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব বাবদ মূল বাজেটে প্রাক্কলিত ৩৩ হাজার ২৫২ কোটি থেকে ৬ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত বাজেটে ২৭ হাজার ১৩ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রথম ৯ মাসে ১ লাখ ৮৬ হাজর ৩০৫ কোটি টাকা রাজস্ব সংগৃহীত হয়েছে, যা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৫৯ শতাংশ। মূলত ভ্যাট আইন বাস্তায়ন বিলম্বিত হওয়া এবং আমদানি কিছুটা কম হওয়ায় রাজস্ব আদায় কিছুটা হয়েছে। অর্থবছরের শেষে রাজস্ব সংগ্রহের গতিধারা বিবেচনায় নিয়েই মূলত রাজস্ব সংগ্রহের সংশোধিত লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে ব্যয় প্রাক্কলন ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, ২২ হাজার ৩২ কোটি টাকা হ্রাস করে সংশোধিত বাজেটে ব্যয় প্রাক্কলন ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা পূণনির্ধারণ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে পরিচালনসহ অন্যান্য ব্যয় বাবদ মূল বাজেটে প্রাক্কলিত ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা থেকে ১৬ হাজার ৩২ কোটি টাকা হ্রাস করে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) বাবদ মূল বাজেটে প্রাক্কলিত ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত বাজেটে ১ লাখ ৬৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈদেশিক উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংশোধিত বাজেটে কমেছে ৯ হাজার কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়োনো হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে পরিচালন ব্যয়কে যৌক্তিকভাবে ন্যূনতম প্রবৃদ্ধি দিয়ে বাজেট বরাদ্দ ও ব্যয় নিশ্চিত করার কারণে পরিচালন খাতে দক্ষতা অর্জন হয়েছে। তা মূলত উন্নয়ন বাজেটে অধিক হারে সম্পদ সঞ্চালনের কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের যে অঙ্গীকার এবং কাঠামো রূপায়ন করে বৃহৎ প্রকল্পে বরাদ্দ নিশ্চিত করার উদ্যোগ বলে অনুমিত হয়।
বাজেট প্রাক্কলনের সময় মোট বাজেট ঘাটতি সব সময় জিডিপি ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার চেষ্টা করা হয়। অনেক দেশে বাজেট ঘাটতি এরচেয়ে অনেক বেশি ধরা হলেও ধারাবাহিকভাবে আমরা ৫ শতাংশে ধরে রাখছি। তবে বাজেট বাস্তবায়নে প্রকৃত আয় ও ব্যয় হ্রাস পাওয়ার ফলে ঘাটতি কিছুটা কম হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটে প্রাক্কলিত ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা থেকে ৬৩৬ কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত বাজেটে বাজেট ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা। জিডিপির ৫ দশমিক শূন্য শতাংশের মধ্যেই সীমিত রয়েছে। এই ঘাটতি ব্যয় আমরা মেটাবো বৈদেশিক উৎস থেকে নীট অর্থায়ন বাবদ ৪৩ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নীট অর্থায়ন বাবদ ৭৮ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা সঞ্চালনের মাধ্যমে।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সংশোধিত বাজেট প্রাক্কলনে যেসব খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পায় সেসব খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমান সম্বলিত একটি সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করতে হয়।

আর্থিক বিবৃতিতে দায়যুক্ত ব্যয় এবং অন্যান্য ব্যয় প্রদর্শন করা হয়। সম্পূরক বাজেটে ৩৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে গড় বরাদ্দ ১৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা বেড়েছে। ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে গড় বরাদ্দ ৩৭ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা কমেছে। সার্বিকভাবে নীট ২২ হাজার ৩২ কোটি টাকা কমে সংশোধিত বরাদ্দে দাঁড়িয়েছে মোট ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। ৩৭টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের বিপরিতে সম্পূরক মঞ্জুরি বরাদ্দের দাবি ১৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা, এরমধ্যে দায়যুক্ত ব্যয় ১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় ১৪ হাজার ৪৭ কোটি টাকা।

শেখ হাসিনা বলেন, বাজেট যদি সঠিকই না হবে তাহলে মাত্র ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ এতো উন্নয়ন করলো কিভাবে। কেউ কেউ বলছেন বাজেট দিয়েছেন কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারেননি। যদি বাস্তবায়ন করতেই না পারতাম তাহলে, ২০০৮ সালে আমরা ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেয়েছিলাম, এবার বাজেট ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: জিডিপি প্রবৃদ্ধিব্যাংকব্যাংকে তারল্য
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ইতালির ফুটবল পথে ফেরাতে মালদিনির পছন্দের তালিকায় গার্দিওলা

জুলাই ১৩, ২০২৬

লাল-হলুদ কার্ডের কাহিনীতে জড়িয়ে আন্তোনিও রাতিন, ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বৈরিতার শুরু যেখানে

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে ঢাবির টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের সহযোগিতা চুক্তি

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংস্কৃতি ও জনপদের এক অনন্য দলিল ‘চ্যানেল আই অনলাইন’

জুলাই ১৩, ২০২৬

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনীতি ও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে

জুলাই ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT