চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচের পদ থেকে সরে দাড়ান রবি শাস্ত্রী। কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতির প্রায় এক মাস পর হিন্দুস্থান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কোচ হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি। জানিয়েছেন কোচ পদে তার নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল প্রতিকূলতার কথাও।
সদ্য সাবেক হওয়া এই ভারতীয় কোচ জানিয়েছেন যে ক্রিকেট বোর্ডের অনেকেই কোচ পদে তার নিয়োগের ক্ষেত্রে বিরোধিতা করেছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে কারো দিকে আঙুল তুলতে চাই না। তবে আমার কোচ হিসেবে আমার নিয়োগটা আটকে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।’
সাক্ষাৎকারে তিনি ভারতের বোলিং কোচ অরুনের নিয়োগ নিয়েও কথা বলেন। জানান যে বিসিসিআই তাকেও নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে অনাগ্রহী ছিল।
‘তারা তাকেও (অরুনকে) কোচ হিসেবে চায়নি। কিন্তু এখন দেখুন সে-ই আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা বোলিং কোচ।’
নিজের আকস্মিক বিদায় নিয়েও কথা বলেছেন শাস্ত্রী। শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ো বাবলকেই প্রধান দুটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়াও পরিবারের সাথে সময় কাটানোও কোচ হিসবে তার এই অব্যহতি দেয়ার অন্যতম কারণ।
‘মূলত দুটি কারণ ছিল। প্রথমত, আমার বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই করছে আর দ্বিতীয়ত, আমি জানি কোয়ারেন্টাইন এবং বায়ো বাবলের জটিলতা আগামী ২ বছরের মধ্যেও শেষ হবে না; আইসোলেশনের মধ্যেই ক্রিকেট খেলা চলবে যেটা আমরা দেখছি এখন।’
ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীর নিয়োগ হয় ২০১৭ সালে। তার সময়ে ভারতের ক্রিকেটে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। সাউথ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মাটিতে একের পর এক সিরিজ জিতেছে ভারত।








