সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলোতে ভয়াবহ বোমা হামলায় কমপক্ষে ১শ’ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সিরিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সন্ধি পরিকল্পনা ঘোষণার পর একটা দিন না যেতেই এই হামলাটি হলো।
দেশটির ইদলিব প্রদেশে একটি বাজারে বিমান হামলায় প্রায় ৬০ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলের কর্মীরা। অন্যদিকে আলেপ্পো প্রদেশে আরেক দফা বিমান হামলায় নিহত হয়েছে ৪৫ জনেরও বেশি।
তবে হামলাগুলো কোন পক্ষ থেকে চালানো হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।
১০ দিনব্যাপী রুশ-মার্কিন সন্ধি সোমবার থেকে শুরু হওয়ার কথা। এরপর থেকে সিরিয়ায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দু’দেশের সমন্বিত বিমান হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তুরস্ক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানালেও বলেছে এছাড়াও আরও অনেক পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তুরস্ক বলেছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শুরু থেকেই জনগণকে ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। আর ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি এখানে ‘রাজনৈতিক রূপান্তর’কে গুরুত্ব দিয়েছেন।
সিরিয়ার বিরোধী দলের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেয়া পরিকল্পনা নিশ্চিতভাবেই কিছুটা আশার আলো দেখায়। তবে তা কীভাবে কার্যকর করা হবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানী দামেস্কে চুক্তিটি সমর্থন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা।
তবে সিরিয়া সরকারের মিত্র ইরানের পক্ষ থেকে সন্ধির ব্যাপারে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।








