‘এটা বুঝতে চেষ্টা করা বন্ধ করে দিয়েছি কেনো ইংল্যান্ড দল থেকে বাদ পড়লাম। এটা সম্পূর্ণ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি কেবল আমার বোলিং নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, এর বাইরে কিছু নয়।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলে জায়গা হারানো নিয়ে আক্ষেপের সুরে এভাবেই বলেছেন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা উইকেট শিকারি পেসার জেমস অ্যান্ডারসন।
টেস্টে সময়টা ভালো যাচ্ছে না ইংলিশদের। অ্যাশেজ হারের পর ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষেও সিরিজ হারতে হয়েছে জো রুটদের। যে দলে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ পেসার অ্যান্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রডের। অনেকে তাদের ক্যারিয়ারের শেষও দেখে ফেলেছেন। অ্যান্ডারসন মুখ খুলেছেন সেসব নিয়েই।
‘কিছুটা অদ্ভুত লেগেছে। এখনও কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার আমি, কিন্তু বোর্ড পরিচালক ও প্রধান কোচের থেকে কোনো বার্তা পাইনি। গত কয়েকবছর ধরে ক্রিকেটের পরের জীবন সম্পর্কে চিন্তা করছি। একটি নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছার পর অবসর সম্পর্কে ভাবা স্বাভাবিকই। সবাই প্রশ্ন করবে কখন অবসরে যাচ্ছেন। তবে আমার ফোকাস সবসময় ক্রিকেটেই ছিল।’
‘যদি পারফর্ম করতে পারি এবং শরীর চ্যালেঞ্জ নিতে পারে, তবে ক্রিকেট চালিয়ে যাব। যদি ইংল্যান্ড দলে ডাক না আসে তবে এই মৌসুমে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাব। ক্যারিয়ারে কখনোই খুব বেশি এগিয়ে দেখিনি। সর্বদা গেম-বাই-গেম এবং সিরিজ-বাই-সিরিজ নিয়ে ভেবেছি।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজে ৩-০তে হারের পর ইংলিশ ক্রিকেটে পালাবদলের হাওয়া বইছে। অব্যাহতি দেয়া হয়েছে প্রধান কোচকেও। ‘রেড বল রিসেট’ পরিকল্পনায় দলের অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারেরও ভবিষ্যৎ দোটানায়। রিসেট কতটা ভাগ্য ফেরাবে ইংল্যান্ডের সেটি নিয়ে সন্দিহান ৩৯ বর্ষী পেসার।
‘ইংল্যান্ডের একজন ভালো কোচ দরকার। টেস্ট দল হিসেবে আমাদের জন্য কঠিন কয়েক বছর কেটেছে। তবে রিসেট আসলে কী বোঝায় তা নিশ্চিত নই। সময়টা প্রত্যেকের জন্য কঠিন। অ্যাশেজ পরাজয়ের পরে সবকিছুই যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনেকে কাজ হারাচ্ছেন। তবে আমি মুখোমুখি বসতে পছন্দ করতাম, কিন্তু স্পষ্টতই তা হয়নি।’







