অজিদের স্লেজিংয়ে কাবু হয়ে নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই যেন ভুলে গেছেন ইংল্যান্ড উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো। তাই বাধ্য হয়েই আহত বাঘের মতো ফুঁসে উঠলেন তিনি। ইংলিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইলে লেখা এক কলামে বলেছেন, স্লেজিং মাত্রা ছাড়ালে অস্ট্রেলিয়ানদের তিনি দেখে নেবেন।
‘দ্বিতীয় টেস্ট ভালভাবেই গেছে। স্লেজিং হলেও তা মাত্রা ছাড়ায়নি। এরকম কথার উত্তাপ ম্যাচে থাকবেই। আমিও খুব একটা কিছু মনে করবো না। কিন্তু যদি আর মাত্রা ছাড়ায় তাহলে কিন্তু আমরাও ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’
বেয়ারস্টোর দাবি ব্রিসবেন টেস্ট থেকেই অজিদের স্লেজিংয়ের প্রধান লক্ষ্য তিনি। সিরিজ শুরুর আগে একটি বারে ছোটখাটো ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন তিনি এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ক্যামেরন বেনক্রফট। তাই তাকেই নাকি স্লেজিংয়ের প্রধান লক্ষ্য বানিয়েয়েছে প্রতিপক্ষ।
বেয়ারস্টোর বিরুদ্ধে অভিযোগ বেনক্রফটকে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরেছিলেন তিনি। ব্রিসবেনে ম্যাচের চতুর্থদিন বেয়ারস্টোকে লক্ষ্য করে স্লেজিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। স্টাম্প মাইক্রোফোন অডিওতে সেটা ধরাও পড়েছে। সেখানে বেয়ারস্টোকে উদ্দেশ্য করে অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার বলছেন, ‘আমাদের সতীর্থকে তোমার ঢুঁস মারা ঠিক হয়নি।’
অন্যদের ব্যর্থতার মধ্য সেদিন ভাল ব্যাট করছিলেন বেয়ারস্টো। কিন্তু ওয়ার্নারের স্লেজিংয়ের একটু পরই আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে থার্ডম্যানে ধরা পড়েন। ফেরার আগে ইনিংসের দ্বিতীয় সেরা ৪২ রান করেছিলেন। এরপর থেকে যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান। দুই টেস্টে চার ইনিংস মিলিয়ে করেছেন ১১০ রান।
কিন্তু কলামে নিজেকে নির্দোষই দাবি করেছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান। বেনক্রফটের সঙ্গে এমন কোনো কাণ্ডই ঘটেনি বলে জানাচ্ছেন তিনি, ‘অস্ট্রেলিয়া গুঁতো নিয়ে কত কিছুই বলছে,অথচ এমন কিছুই তো ঘটেনি। তারা এমন ভাবে রটনা রটিয়েছে যেন সবাই সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে সব দেখেছে।’







