করিম বেনজেমা ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষস্থান আরও শক্তপোক্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
২১ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্টে শীর্ষের রিয়ালের চেয়ে আট পয়েন্ট পিছিয়ে আছে দুইয়ের সেভিয়া, দুই ম্যাচ কম খেলে তাদের সংগ্রহ ৪১ পয়েন্ট। সমান ৩৩ পয়েন্টে থাকলেও গোল ব্যবধানে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে যথাক্রমে রিয়াল বেটিস ও রিয়াল সোসিয়েদাদ।
শনিবার রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। টনি ক্রুসের ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া বলে জোরাল হেড করেছিলেন এডের মিলিতাও। অতিথি গোলরক্ষক জাসপার সিলেসেন ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিহত করেন। ১৬ মিনিটে গঞ্জালো গুয়েডেসের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্ত্তোয়া।
একের পর আক্রমণ করে প্রতিপক্ষের উপর চেপে বসা কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা গোলের দেখা পাচ্ছিল না। ৩০ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে লুকা মদ্রিচের পাসে বল পেয়ে মার্কো আসেনসিওর নেয়া শট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেন। পাঁচ মিনিট পর বেনজেমার শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ৪১ মিনিটে মদ্রিচের বুলেটগতির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। খানিক পরই লস ব্লাঙ্কোসরা ডেডলক ভাঙে। বক্সের ভেতর কাসেমিরোকে ফাউল করায় রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। সুযোগে ৪৩ মিনিটে স্পটকিকে গোল করে এগিয়ে দেন বেনজেমা।
বিরতির পর ৫২ মিনিটে বেনজেমার বাড়ানো বলে ডান পায়ের শটে ভিনিসিয়াস ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। নয় মিনিট পর আবারও ভিনিসিয়াস ঝলক। ডানপ্রান্ত থেকে আসেনসিওর ভাসানো বলে হেডে জাল খুঁজে নেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের ৬৩ মিনিটে ড্যানিয়েল ওয়াসের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান কোর্ত্তোয়া। ১৩ মিনিট পর তিনি গোলও হজম করেন। নিজ বক্সের ভেতর আসেনসিও প্রতিপক্ষের একজনকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পটকিকে গঞ্জালোর শট কোর্ত্তোয়া প্রতিহত করে দেন, ফিরতি বলে হেডে জাল খুঁজে নেন তিনি।
শুরুর মতো রিয়ালের শেষ গোলটাও বেনজেমার। ফেরল্যান্ড মেন্ডির পাসে বল ডেয়ে ডান পায়ের শটে জালে বল জড়িয়ে স্বাগতিকরা বড় উল্লাসে মাঠ ছাড়ার ব্যবস্থা করেন।








