বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বহুল প্রতীক্ষিত টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে আলোচনায় ‘বৃষ্টি’। ২৭ আগস্ট শুরু মিরপুর টেস্টে বৃষ্টির প্রভাব কতটা থাকতে পারে সেটি নিয়ে চ্যানেল আই অনলাইন কথা বলেছে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানের সঙ্গে। তার দেওয়া তথ্য মতে, প্রথম টেস্টের প্রথম ও পঞ্চম দিনে বৃষ্টির শঙ্কা থাকলেও কোনও দিনের খেলাই পুরোটা যাবে না বৃষ্টির পেটে।
টেস্টের মাঝের তিনদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম দেখছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা, ‘বর্ষাকাল তো, বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবেই। বৃষ্টি থাকবে; বৃষ্টি হবে না এমন কোনও তথ্য নেই। বৃষ্টি হবে, খেলাও হবে। খেলা একবারে যে হবে না সেটিও নয়। ম্যাচের প্রথমদিন কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে। শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকবে। মাঝের তিনদিন গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। তবে সেটি খেলা না হওয়ার মত হবে না! আগামী সপ্তাহ জুড়েই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। যেটুকু হবে সেটা হালকা থেকে মাঝারি।’
বাংলা দিনপঞ্জি হিসাবে আগস্ট মানে শ্রাবণ-ভাদ্র। বাংলাদেশে এমনিতেও এটি ভরা বর্ষাকাল। তাই স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতই প্রত্যাশিত। আগামী সপ্তাহে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা না থাকাটা তাই মিরপুর টেস্টের জন্য বড় সান্ত্বনা। তবে শের-ই-বাংলার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের ফলে বৃষ্টি থামলে ৩৫-৪০ মিনিটের মধ্যেই খেলা শুরু করা সম্ভব। বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির এক কর্মকর্তা এমনটাই জানালেন।
চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৪ সেপ্টেম্বর। তখন আবহাওয়া কেমন থাকতে পারে? এমন প্রশ্নে হাফিজুর রহমান বললেন, ‘বৃষ্টির নতুন ‘স্পেল’ শুরু হবে আরও পরে। পূর্বাভাসে এক সপ্তাহের বেশি সময় নিলে তার অ্যাকুরিসি থাকে না।’
ম্যাচের আগে অনুশীলনে মাঝেমধ্যেই বাগড়া দিয়েছে বৃষ্টি। ক্রিকেটারদের মাঠ ছেড়ে ইনডোরে অনুশীলন সারতে হয়েছে কয়েকদিন। বৃষ্টির কারণে সেভাবে শেষপর্বের অনুশীলন হয়নি বাংলাদেশেরও। ১০ জুলাই ক্যাম্প শুরুর পর প্রথম তিন সপ্তাহ কেটেছে ফিটনেস অনুশীলনে। ব্যাট-বলের স্কিল ক্যাম্প শুরু হয় চলতি মাসের শুরুতে। তাতেও বাঁধ সাধে বৃষ্টি। ভেজা মাঠে ফুটবল খেলে কাটান ক্রিকেটাররা। বেশিরভাগ সময় অনুশীলন করতে হয়েছে ইনডোরেই।







