বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর মানুষদের জীবন যাত্রা। প্রবল বৃষ্টিতে এলাকাগুলো ডুবে গেছে হাটু থেকে কোমর পানি পর্যন্ত। ফলে বৃষ্টির পানিতে আবারো দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।
রোববার সকাল থেকেই নিচু এলাকাগুলো ডুবে যাওয়ায় অধিকাংশ এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ। নগরীর এই ভোগান্তির মধ্যে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
নগরবাসীর এমন বেহাল দশায় দায়িত্ব নিয়েই আ জ ম নাসির উদ্দিন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। খুব শ্রিঘই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রামবাসী।
একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর, বাকলিয়া, ডিসি রোড, চান্দগাঁও আবাসিক, খতিবের হাট, বেপারীপাড়া সহ নগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকা। রাস্তাগুলো ডুবে যায় হাটু থেকে কোমর পানিতে।
যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। ঘর থেকে বেরিয়েই শিক্ষার্থী এবং কর্মজীবীরা পড়ছেন চরম বিড়ম্বনায়। সবচেয়ে বেশী ভোগান্তিতে পড়েছেন নিন্ম আয়ের মানুষরা।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কে বাজালিয়ায় সড়কের উপর দিয়ে প্রায় তিন ফুট পানি প্রবাহিত হওয়ায় চট্টগ্রামের সাথে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ফটিকছড়ি হেঁয়াকো সড়কে পানি উঠায় চট্টগ্রামের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সড়ক যোগাযোগ। পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে।
সাতকানিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং ফটিকছড়ি এলাকার প্রায় ৪০ টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী সড়ক।






