বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশের ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ছাত্রলীগ।
আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে শুরু থেকেই ছাত্রলীগ নেতাদের সংশ্লিষ্ট থাকার বিষয়ে অভিযোগ ওঠে। এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ব্রিফিংয়ে কথা বলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এসময় তার পাশে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন: আমরা এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিতে রয়েছেন, ইয়াজ আর রিয়াদ (ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ) এবং আসিফ তালুকদার (সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ডাকসু)। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বলেছি।
জয় বলেন: ছাত্রলীগ অন্যায়কে কখনও প্রশ্রয় দেয়নি। যদি বুয়েটের এ ঘটনায় ছাত্রলীগের কোনো নেতা অথবা বুয়েট শাখার নেতাকর্মী যদি বিন্দুমাত্র জড়িত থাকে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আমরা ফৌজদারি আইনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাবো আপনারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করুন।
আবরার ফাহাদ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রোববার সন্ধ্যার পরে তাকে রুম থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছে তার সহপাঠীরা। এরপরে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয়তলা থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আবরার ওই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন, ১০১১ নম্বর রুমে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া।
আবরার হত্যাকাণ্ডে হলের সিসিটিভি ফুটেজসহ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় বুয়েটের ছাত্রলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদকসহ দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।








