রাজধানীতে জোড়া হামলার দায় স্বীকার করার পরে এবার শিক্ষক, সাংবাদিক, কবি, অভিনয় শিল্পীসহ ৮ শ্রেণী পেশার নাগরিক হত্যার মহাপরিকল্পার কথা প্রকাশ করেছে আল-কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা হিসেবে পরিচিত আনসার আল ইসলাম। আনসার আল ইসলামের মুখপাত্র মুফতি আবদুল্লাহ আশরাফের নামে টুইট করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেয় দলটি।
শনিবার জাগৃতির কার্যালয়ে প্রকাশক-লেখক ও কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা এবং শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে প্রকাশক ও লেখক আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু এবং তারেক রহিমকে আহত করার দায় স্বীকার করার পর “কে হবে আমাদের পরবর্তী টার্গেট?” শিরোনামে একটি ছবিসহকারে বিজ্ঞপ্তি টুইট করেছে তারা।
বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়েছে, আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল (সা.) ও ইসলামকে হেয়কারী যে কেউ তাদের পরবর্তী টার্গেট। তবে ব্যক্তিজীবনে নাস্তিক হলেই সবাইকে টার্গেট হিসেবে না নিয়ে যারা ‘নাস্তিকতা’ ও ‘মুক্তচিন্তা’ চর্চার নামে রাসুল ও ইসলামকে নিয়ে কটূক্তি করছে শুধু তাদেরকেই লক্ষ্যবস্তু বানাবে দলটি। যারা এদের রক্ষা বা সাহায্য করবে, তাদেরও একই পরিণাম হবে।
এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘যারা নিজ নিজ পরিমণ্ডলে কোনো না কোনোভাবে ইসলামী শরীয়াতের আহকাম পালনে বাধা দিচ্ছে’ তাদেরকেও টার্গেট করবে আনসার আল ইসলাম। এরা হতে পারেন শিক্ষক, মেয়র-মোড়ল-মাতব্বর, কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান কিংবা বিচারক, আইনজীবী বা চিকিৎসক।
এভাবে বিজ্ঞপ্তিটিতে মোট ৮টি বৈশিষ্ট্যের ক্যাটেগরিতে ফেলে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা করার মহাপরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে আনসার আল ইসলাম। মূলকথা হিসেবে বলা হয়েছে, ‘যারাই লেখনী-কথা-কাজের মাধ্যমে আল্লাহ, তাঁর রাসুল (সা.) ও তাঁর দ্বীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, এমন সকল মুরতাদ ও ইসলামের শত্রুরাই মুজাহিদিনদের টার্গেট হবে…’।






