প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্তত ৫০টি দেশ শক্ত অবস্থান নিচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এই তালিকায় আছে বাংলাদেশের নামও।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারে নিষিজ্ঞা আনা হলেও উপযুক্ত বাস্তবায়নের অভাবে তা সঠিক উপায়ে প্রয়োগ করা হচ্ছে না।
প্রতিবছর বিশ্বে ৫ জুন পরিবেশ দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর অঙ্গীকার নিয়ে দিবসটি পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘আসুন প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করি’ এবং স্লোগান ‘প্লাস্টিক পুনঃব্যবহার করি, না পারলে বর্জন করি’।
এছাড়া জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্বের অনেক দেশেই প্লাস্টিকের ক্ষতিকরদিকগুলো বুঝতে পেরেছে। এবং এর ব্যবহার কমানোর ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
যেমন গালাপাগোস আইল্যান্ড এরই মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। সাগরপাড়ের দেশ শ্রীলংকা ক্ষতিকর স্টিরোফোম ব্যবহার নিষিদ্ধ করবে এবং চীন জৈব দ্রব্য হতে উৎপন্ন ব্যাগ ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছে।
কিন্তু প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগ করতে না পারায় পলিথিনের বিরুদ্ধে অনেক ভালো প্রকল্পও আর বাস্তবায়ন হয় নি।
এদিকে প্লাস্টিক বর্জ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সারা বিশ্ব জুড়ে চলছে। গণমাধ্যমে প্লাস্টিক বিরোধী কর্মসূচি যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশগুলোর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
এছাড়াও উন্নয়নশীল দেশেগুলোতে প্লাস্টিক ব্যাগ ড্রেনে আটকিয়ে অনেক সময় বন্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে।
প্রতিবেদনটি বলেছে, প্লাস্টিকের বর্জ্যে মোকাবেলার নীতি একেক দেশে একেক রকম, তাই এর ফলাফল হচ্ছে মিশ্র। ক্যামেরুনে প্লাস্টিক ব্যাগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রতিটি কিলো প্লাস্টিকের বর্জ্য সংগ্রহের জন্য বাড়তি অর্থ প্রদান করা হয়।
তবে এখনও প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে চোরাচালান করা হচ্ছে। তবে বেশ কয়েকটা দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহারের নিয়ম বিদ্যমান থাকা শর্তেও সঠিক উপায়ে প্রয়োগ করা হয় না।








