দলীয় শক্তির গভীরতার কারণেই ইউরোপিয়ান ফুটবলের হিংসারপাত্র হয়ে উঠছে রিয়াল মাদ্রিদ। বার্নাব্যুতে বা বার্নাব্যুর বাইরে রিয়ালকে যারা পরীক্ষায় ফেলতে চায় সেসব ক্লাব জানে যে, রিয়াল যদি নিয়মিত খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে কোনও খেলোয়াড়কে সরিয়ে দেয় বা বিকল্প খাড়া করায় তাহলে তাদের জন্য কাজটি আরও জটিল হবে।
রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান অবিশ্বাস্য ভাবে ‘প্ল্যান বি’ নামে পরিচিত হয়ে উঠতে চান এবং এই প্ল্যানে যখন যে খেলোয়াড়রা আসছেন তারাই ভাল করছেন। যাতে করে বিশ্বের সেরা ব্যাক আপ টিম হয়ে উঠেছে রিয়াল। রোনালদো, বেল ও বেনজামার জায়গায় কম যান না অ্যাসেনসিওরা।
লস ব্লাঙ্কোসদের ‘সেরা ব্যাক আপ’ টিম নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে যেমন কোন মতানৈক্য দেখেন না জিদান, তেমনি জিজুর মতের একই মত ফুটবল বিশ্লেষকদেরও।
ক্যাসিলা, নাচো, অ্যাসেনসিও, কোভাচিচ এবং লুকাস এদের সবাইকেই কিনতে চায় অন্য ক্লাব। এই দলে আছেন গত মৌসুমে আলাভেজে খেলা মার্কোস লরেন্তেও।
নাচোকে দলে পেতে চায় সিরি আ’র ক্লাব রোমা। তবে রিয়ালের সবশেষ তিন ম্যাচে একাদশে না থাকলেও তাকে পাওয়াটা রোমার জন্য প্রায় অসম্ভবই। নাচোর পাশাপাশি লুকাস-ক্যাসিলার দিকে নজর দিয়েছেন রিয়ালেরই সাবেক কোচ রাফায়েল বেনিতেজ। তিনি এখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নিউক্যাসলের বস।
প্রাক-মৌসুম থেকে শুরু করে স্প্যানিশ সুপার কাপের দুইপর্বে অবিশ্বাস্য পারফর্মেন্স দেখিয়েছেন অ্যাসেনসিও। এরপরই স্প্যানিশ তারকার দিকে হাত বাড়াতে চাইছে আর্সেনাল। একই কারণে কোভাচিচকে দলে টানতে চাইছে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস।








