মোট দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি জিডিপির সাময়িক হিসাব ৭.০৫% মেনে নিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে পরিসংখ্যান ব্যুরো জিডিপি’র হিসাবে খাতওয়ারী যেসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করেছে তার কয়েকটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংকের নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেছেন, সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বাংলাদেশের অর্জন, এটা প্রশংসনীয়।
চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.০৫%, ৫ই এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী। এর পর এই পূর্বাভাস নিয়ে দেশে-বিদেশে তর্ক চলছেই।
তবে আগের পূর্বাভাস থেকে সরে গিয়ে বিশ্বব্যাংক বলছে এটা নিয়ে তর্ক করা অবান্তর। সংস্থাটির নয়া কান্ট্রি ডিরেক্টর স্পষ্ট করে বলেছেন, বিরূপ বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্জন ঈর্ষণীয়।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, জিডিপি পূর্বাভাস ৬. ৫, ৬.৮ কিংবা ৭ এর ওপর হতে পারে। তবে এটা প্রশংসনীয় যে বাংলাদেশের জিডিপি এখন ৬ এর বেশির ঘরে পৌঁছাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের হালনাগাদ তথ্য জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক বলছে সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, জ্বালানী তেলের কম মূল্যও সহায়ক হয়েছে সরকারের জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। তারপরও দুশ্চিন্তার জায়গা বেসরকারী বিনিয়োগ বন্ধ্যাত্ব, বিনিয়োগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর অপর্যাপ্ত সরবরাহ, সর্বোপরি রাজনীতিক অনিশ্চয়তা।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ দপ্তরের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডক্টর জাহিদ হোসেন বলেন,‘ জিডিপি নিয়ে সরকার যেখানে আগে থেকেই বলে আসছে সেখানে আলাদা করে পূর্বাভাস দেয়ারতো দরকার নেই। বরং যেটা দরকার সেটি হচ্ছে এই হিসাব অর্থনীতি সম্পর্কে কী বলছে তা দেখা’। ২০২১ সালে বংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরক্টের বলেছেন, সঠিক নীতি সহায়তা, কাংখিত হারে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলে মধ্য আয়ের দেশ না হয়ে ওঠার কোনো কারণ নেই।








