রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ৩-১ গোলে পিএসজি হারলেও দর্শকদের সমীহ আদায় করে নিয়েছিলেন নেইমার। প্যারিসের ফুটবলপ্রেমীরা আশায় ছিলেন, তাদের ঘরের মাঠে ফিরতি পর্বে রোনালদোদের পাল্টা লড়াই ছুড়ে দেবেন ব্রাজিলিয়ান ওয়ান্ডার কিড।
কিন্তু দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ের আগে ইনজুরিতে মাঠের বাইরে চলে গেছেন নেইমার। ফলে মঙ্গলবার রাতে ফিরতি পর্বের ম্যাচে তিনি নেই।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই মুহূর্তে অস্ত্রোপচারের পরে রিহ্যাবে আছেন নেইমার। সেখান থেকেই নজর রাখবেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম পিএসজি মহারণে।
তবে এরই মাঝে নেইমারকে নিয়ে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন ও পিএসজির মধ্যে। যার নেপথ্যে আবার ফুটবল সম্রাট পেলে।
নেইমারকে নিয়ে বিশ্বকাপে নিজের নতুন আশা ব্যক্ত করতে গিয়ে পেলে বলেন, ‘নেইমার এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। চোট পেলেও বিশ্বকাপের আগে সুস্থ হয়ে যাবে। ক্লাব ফুটবল থেকে মনোনিবেশ সরিয়ে কখন ব্রাজিলের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে, তা সে জানে। সেভাবেই রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে তৈরি করছে নেইমার।’
এর পরেই পিএসজির কর্মকর্তাদের দাবি, বিশ্বকাপের কথা ভেবেই হয়তো নেইমারের চোট যতটা, তার চেয়ে বেশি করে দেখাচ্ছেন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের চিকিৎসকরা।
ফরাসি মিডিয়ায় সরাসরি অভিযোগ তোলা হয়েছে, ‘নেইমারের চোট হয়তো বড় করে দেখাচ্ছেন ব্রাজিল জাতীয় দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার। বিশ্বকাপে তরতাজা ও ফিট নেইমারকে পেতেই সম্ভবত এভাবে অতিরিক্ত বিশ্রামে রাখা হচ্ছে।’
ফরাসি মিডিয়ায় আরো বলা হয়েছে, পিএসজির চিকিৎসকরা নেইমারের ডান পায়ের পাতায় কনিষ্ঠার হাড়ে চিঁড় ধরার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু নেইমার ব্রাজিলে যাওয়ার পরেই জানা যায়, ডান পায়ের পাতায় মেটাটারসাল হাড় ভেঙেছে। ফলে তিন মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে।’
যদিও ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।







