পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পক্ষত্যাগী বাঙালি কর্মকর্তা ও পাইলটদের নিয়ে একাত্তরের ২৮শে সেপ্টেম্বর ডিমাপুরে গঠিত হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। শুরুতে ভারতীয় বিমান বাহিনী ৩টি বিমান ও প্রশিক্ষণ দেয়।
পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বিদ্রোহী বাঙ্গালি কর্মকর্তা ও পাইলটরা যুদ্ধের শুরু থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন আলাদাভাবে বাংলাদেশের কোন বিমান বাহিনী ছিলো না। এক পর্যায়ে বিমান বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে একাত্তরের ২৮ শে সেপ্টেম্বর নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠন করা হয়। ভারতের উপহার হিসেবে দেয়া একটি ডাকোটা বিমান, একটি অটার বিমান ও একটি হেলিকপ্টার নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে কিলোফ্লাইট নাম দিয়ে ওই বাহিনীর অধিনায়ক করা হয় তখনকার স্কোয়াড্রন লিডার ও পরবর্তীতে বিমান বাহিনী প্রধান অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ বীরউত্তমকে।
যুদ্ধকালীন বিমান বাহিনী গঠনের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন ক্যাপ্টেন সাহাবউদ্দিন আহমেদ বীরউত্তম ও ক্যাপ্টেন আকরাম আহমেদ বীরউত্তম।
বিমান বাহিনী গঠনের পর পাকিস্তানী লক্ষ্যবস্তুর ওপর একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকেন বিমান সেনারা। একুশে নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে সশস্ত্র বাহিনী নাম দিয়ে আক্রমণের সূচনা করে।
দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








