পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে সরকারী দলের নেতা কর্মীদের বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাইলো নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো রিটানিং অফিসার ব্যবস্থা নিতে দেরি করলে; সেই রিটানিং অফিসারের বিরুদ্ধেই তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ।
৩০ ডিসেম্বরের পৌরসভা নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু আর বির্তকমুক্ত রাখতে সব চেষ্টার পরও আইন না মেনে মাঝে মধ্যেই সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিরা নির্বাচন কমিশনকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এরই মধ্যে আচরণবিধি ভাঙার কারণে সরকারের বেশ কিছু মন্ত্রী এমপিকে সর্তক করে নোটিশও দিয়েছে কমিশন।
এ প্রসঙ্গে শাহনেওয়াজ বলেন, ‘আমি বলবো সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন, নির্বাচিত এমপি-মন্ত্রী যারা আছেন তারা যেনো আচরণ বিধি না ভাঙেন। তাহলে আমরা বিব্রত অবস্থায় পড়বো। আমরা যদিও সরকার থেকে আলাদা তবুও একটি নির্বাচিত সরকার থাকা অবস্থায় আমরা নির্বাচন করছি। তাহলে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। আপনাদের সরকার প্রধানের কাছে সহযোগিতা চাইবো।’
এবার পৌরসভা নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র দখল আর ভোট বাক্স ছিনতাই ঠেকাতে ইসি কঠোর অবস্থানে আছে বলে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসার যারা আছেন; তারা কেউ আচরণ বিধি ভাঙলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থ নিবে। না নিলে নির্বাচন কমিশন তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে। তারা যে সিদ্ধান্তই নেন না কেনো নির্বাচন কমিশন তাদের সঙ্গে থাকবে।
রিটার্নিং অফিসারদের নির্ভয়ে কাজ করারও আহ্বান ইসির।
এরই মধ্যে আবুল হোসেন নামে এক জেলা নির্বাচন অফিসার সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনে ক্ষমতার অপব্যবহার করায় তাকে বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।







