ইংল্যান্ডের সঙ্গে হোম সিরিজের পরে বিপিএল টি২০তেও প্রতিনিয়তই প্রতিপক্ষের জন্য ফ্যাক্ট হিসেবে আবির্ভাব হচ্ছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। নিজেকে নিজেই ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তরুণ প্রতিভাবান এ স্পিনার।
শুক্রবারের ম্যাচেও নিজেকে আবার চেনালেন তিনি। চার ওভার বোলিং করে ২২ রানে নিয়েছেন দুটি উইকেট। মিরাজের শিকার হয়েছেন লঙ্কান অভিজ্ঞ কুমার সাঙ্গাকারা ও বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান।
রাজশাহীর হয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারটি যখন করতে আসলেন মিরাজ, তার সামনে তখন ব্যাটসম্যান শ্রীলঙ্কান কুমার সাঙ্গাকারা। যার ব্যাটিং টিভি পর্দায় বলা যায় অনেক দেখেছে মিরাজ। হয়তো এক প্রকার ইচ্ছাশক্তি নিয়েই বোলিং করেছেন অভিজ্ঞ সাঙ্গার বিপক্ষে, দেখি কিছু করা যায় কিনা। ভাগ্যবিধাতা এক্ষেত্রে মিরাজের সঙ্গেই ছিল ওভারের শেষ বলে মিরাজকে স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড সাঙ্গাকারা। হাঁটা দিলেন সাজঘরের দিকে। মিরাজের উল্লাস বাঁধনহারা।প্রথম ওভারে মাত্র পাঁচ রানে এক উইকেট।
অষ্টম ওভারে সাকিবের বিপক্ষে বল করতে গিয়ে প্রথম বলটি করলেন অফ স্ট্যাম্পের বাইরে ফুলার। সাকিব ক্রিজ থেকে একটু বের হয়ে ড্রাগ করতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হলেন। এবার যেন মিরাজ খুশীতে অনেক বেশি মাতোয়ারা।এ ওভারে মাত্র চার রানে এক উইকেট।
দশম ওভারে বল করতে এসে মিরাজ দেন আবার পাঁচ রান। আর ১৪তম ওভারে দেন ৮ রান। ওই ওভারে যদি মিরাজকে মোসাদ্দেক একটি চার না মারতেন, তবে আরে উজ্জ্বল থাকত মিরাজের বোলিং ফিগার।
এর আগে বিপিএলের নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে রাজশাহী কিংসের হয়ে মিতব্যয়ী বোলিং করেছেন মিরাজ। তিন ওভার বোলিং করে মাত্র ১৫ রান দিয়ে দখল করে একটি উইকেট। খুলনার ব্যাটসম্যানরা যখন বুঝেশুনে ব্যাট চালাচ্ছিল তখনই রাজশাহীর দলনায়ক আক্রমণে আনেন মিরাজকে। বোলিংয়ে এসেই সফল হন মিরাজ। নিকোলাস পুরানকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান।
আজকের পর থেকে হয়তো মিরাজকে নিয়ে নতুন করে ভাববে প্রতিপক্ষ শিবির।







