বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব জাতীয় অগ্রযাত্রায় দারিদ্র ও উন্নয়নের পরিপন্থি ও আত্মঘাতী বলে মনে করেন ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যে নেতারা।
শনিবার ১৯৮২-৯০ স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক ছাত্রনেতা সালেহ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি করোনা বিপর্যয় কেটে না উঠতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে অতি সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ভোজ্য তেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য দফায় দফায় বৃদ্ধি, কর্মহীনতা, বেকারত্ব বৃদ্ধি, নানান ধরনের অনিয়ম সহ জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষের আয় উপার্জন হ্রাস পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দৃর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে আবারও সকল ধরণের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম বেড়েই চলেছে। এই সময়ে বিদ্যুতের খাতে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবনা দেশবাসীকে হতাশ করেছে।’
এতে আরো বলা হয়, ‘বিইআরসির প্রস্তাবিত বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা দেশে উৎপাদন, বন্টন, যোগাযোগ, কর্মসংন্থান সংকৃচিত হওয়া-সহ জন জীবনে নৈরাজ্য ডেকে আনবে বলে আমাদের প্রতিয়মান হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এলাকা বর্তমান বন্যা কবলিত, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে অসহায় জীবন যাপন করছে। দেশের অন্যান্য সকল নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করছে। এমতাবস্থায় দেশের জনগণের স্বার্থ বিরোধী বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবনা প্রত্যাহার করে জাতীয় অগ্রযাত্রাকে তরাম্বিত করার দাবি আমাদের।’
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, নাজমুল হক প্রধান, মোস্তফা ফারুক, নুর আহমেদ বকুল, শফি আহমেদ, বজলুর রশিদ ফিরোজ, আখতার সোবহান মাশরুর, আমিনুল ইসলাম, মনসুরুল হাই সোহন, সুজাউদ্দিন জাফর, মুখলেছউদ্দিন শাহীন, রাজু আহমেদ, সালেহ আহমেদ, হারুন মাহমুদ, সিরাজুমমূনীর রেজাউল করিম শিল্পী, জায়েদ ইকবাল খান, কামাল হোসেন বাদল, বদরুল আলম প্রমুখ।








