এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে দুই বিদেশী হত্যার ঘটনায় ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিদেশীদের ব্যক্তিগত এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা আরো জোরদার করেছে পুলিশ।
গুলশান-বনানী-বারিধারা কূটনীতিক এলাকা ছাড়াও অন্য সব জায়গায় বাস করা বিদেশী নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গতরাত থেকে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
বিদেশীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন শুরুর আগে শনিবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পুরো পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানোর সিদ্ধান্ত হয়।
‘কারো কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা থাকলে বা কারো সঙ্গে ব্যক্তিগত রেষারেষি থাকলে সেই তথ্যও পুলিশের তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে,’ বলে এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
বিদেশীদের নিরাপত্তায় কূটনীতিক এলাকার পুলিশ বাহিনীর বিশেষ ইউনিট ছাড়াও পুলিশ বাহিনীর অন্যান্য ইউনিট থেকেও সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে।
জামিনে কারাগারের বাইরে থাকা চিহ্নিত কিছু অপরাধী ও সন্ত্রাসীকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকার বাইরে থাকা বিদেশী নাগরিকদের জন্যও একইভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে।
শনিবার রংপুরে এক জাপানী নাগরিক নিহত হওয়ার আগে ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানে দুর্বৃত্তরা এক ইতালীয় নাগরিককে একই কায়দায় গুলি করে হত্যা করে।







