সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ৫ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছিলেন উত্তর প্রদেশের নারী পুলিশ অফিসার শ্রেষ্ঠা ঠাকুর, এজন্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হন তিনি। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বাধা দেওয়ার এই কাজে ‘শাস্তিই’ পেতে হচ্ছে তাকে। শনিবার নেপাল সীমান্তের কাছে বাহরাইখে ট্রান্সফারের নির্দেশ পেয়ে তিনি বলেন,“ আমি খুশী। একে আমার ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবেই নিচ্ছি।”
এতোদিন বুলান্দশহর জেলার সায়না সার্কেলে দায়িত্বরত থাকা শ্রেষ্ঠা ট্রান্সফারের আদেশ পেয়ে তার ফেসবুক পেজে লিখেন, “বাহরাইখে ট্রান্সফার হয়েছে, এটা নেপাল সীমান্ত, ভয় পেয়ো না বন্ধুরা আমি খুশী.. আমি একে আমার ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবেই গ্রহণ করছি। তোমাদের সবাইকে বাহরাইখে আমন্ত্রণ।” তিনি ছাড়াও কয়েকজন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টকেও ট্রান্সফার করা হয়েছে।

হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো বিজেপি নেতা প্রমদ কুমারকে ২০০ রুপি জরিমানা করার প্রেক্ষিতেই ঘটনার সূত্রপাত। জরিমানা করায় পুলিশের সাথে বাকযুদ্ধে জড়ায় বিজেপি নেতারা। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, শ্রেষ্ঠা মুখ্যমন্ত্রী (উত্তর প্রদেশ) আদিত্যনাথের নাম নিয়ে বলছেন, বিজেপি নেতাকর্মীরা পুলিশ চেকিং-এর বাইরে থাকবে, এমন লিখিত আদেশ আনার জন্য।
এই ঘটনার পর বিজেপির ১১জন এমএলএ এবং এমপির এক প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাথে বৈঠক করেন। স্থানীয় নেতারা তখন হাই কমান্ডকে শ্রেষ্ঠার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাপ দেয় বলেই প্রতীয়মান। দলের নগর সভাপতি বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে এই ট্রান্সফার অপরিহার্য।








