বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মানবাধিকার সমস্যা বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র । বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত ২০১৪ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনে ওই মন্তব্য করা হয়েছে।
এ ছাড়াও সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ, অনলাইনে মত প্রকাশের সীমাবদ্ধতাসহ দুর্বল শ্রম অধিকার এবং নিম্নমানের কর্ম পরিবেশকেও বাংলাদেশের মানবাধিকার সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মানবাধিকার প্রতিবেদনে গত সংসদীয় নির্বাচন, নির্বাচন বর্জন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সহিংসতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৪ সালে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে গুম হয়েছে প্রায় ৮০ জন। ২০১৩ সালে এই সংখ্যাটা ছিলো ৫৩ জন।
২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচন নিয়ে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক পরিদর্শকের সমালোচনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক এবং গতিশীল নাগরিকদের দেশ হিসেবে উল্লেখ করে মানবাধিকারের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তাকর্মীদের নির্যাতনসহ ক্ষমতার অন্যান্য অপব্যবহার, বিস্তৃত দুর্নীতি, দুর্বল বিচার ব্যবস্থা, লম্বা বিচার প্রক্রিয়ার কথাও উঠে আসে তাদের প্রতিবেদনে।
কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা এনজিওগুলোও বাংলাদেশে তাদের কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যার মুখোমুখি হন। এদেশে নারীরাও তীব্র বৈষম্যের শিকার। অনেক শিশুকেই জোড় করে কাজে বাধ্য করা হয়। কেউ কেউ টাকার প্রয়োজনে কাজ করে আবার কোনো কোনো শিশু মানবপাচারকারীদের কবলে পড়ে এই সমস্যার মুখোমুখি হন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক এই প্রতিবেদনে।







