সাত দলের সাত আইকন চূড়ান্ত হয়েছে আগেই। তারা কত পারিশ্রমিক পাবেন সেটি অবশ্য গোপনই রেখেছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। শনিবার প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষে জানানো হয়েছে, মাশরাফী-সাকিবরা কে কত টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
আইকন ক্রিকেটারদের উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর ভাবা হচ্ছিল, পঞ্চম আসর থেকে হয়ত তাদের পারিশ্রমিক বাড়বে। তবে পছন্দ অনুযায়ী দল পেলেও সাত আইকনের কেউই বাড়িয়ে নিতে পারেননি একটি টাকাও। গত আসরের সমান পারিশ্রমিকই পাচ্ছেন মুশফিক-সৌম্যরা।
গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ৫৫ লাখ টাকা। ৫০ লাখ করে পাচ্ছেন খুলনা টাইটান্সের মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের তামিম ইকবাল, রংপুর রাইডার্সের মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও রাজশাহী কিংসের মুশফিকুর রহিম। সিলেট সিক্সার্সের সাব্বির রহমান ও চিটাগং ভাইকিংসের সৌম্য সরকার সেখানে পাচ্ছেন ৪০ লাখ করে। আগের আসরেও একই পারিশ্রমিকে খেলেছেন সকলে।
চতুর্থ আসরে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে সাকিবকে ৫৫ লাখ; মুশফিকু, তামিম, মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফীকে ৫০ লাখ। সাব্বির ও সৌম্যকে ৪০ রাখ ধার্য করে আইকন তকমা দেওয়া হয়েছিল।
অবশ্য আইকন না থেকেও সাব্বির-সৌম্যর চেয়ে বেশি টাকা পাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে ৪৫ লাখ টাকায় প্লেয়ার্স ড্রাফটসে তোলা হয়েছিল বাঁহাতি পেসারকে। লটারির মাধ্যমে প্রথম কল পেয়ে মোস্তাফিজকে ডেকে নেয় গত আসরের রানার্সআপ রাজশাহী কিংস। আট দল নিয়ে বিপিএল আয়োজন করার কথা থাকলেও আর্থিক নিয়ম পালন না করায় বরিশাল বুলস পঞ্চম আসর থেকে বাদ পড়েছে। ফলে ‘আইকন’ থেকে কাটা পড়ে যায় মোস্তাফিজের নাম।
দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় কেনায় সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে কুমিল্লা ও রংপুর। এই দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির খরচ ২৬ কোটি ২০ লাখ টাকা করে। খুলনা ২৫ কোটি ৪০ লাখ, ঢাকা ও রাজশাহী ২৫ কোটি ২০ লাখ করে খরচ করেছে। সিলেট ২৩ কোটি ৫০ লাখ, চিটাগং সর্বনিম্ন ২২ কোটি টাকা ঢেলেছে।
আগামী ২ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে পর্দা উঠবে বিপিএলের পঞ্চম আসরের। সিলেটের পর মিরপুর, পরে চট্টগ্রাম হয়ে আবার হোম অব ক্রিকেটে ফিরবে মাসব্যাপাী আসরটি।







