কখনো কখনো কৃষিও কুটির শিল্প। যাদের ভেতরে থাকে শিল্পের টান, তারা একটু জায়গা পেলেই গড়ে তোলেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্র। বাসা বা ভবনের ছাদ পরিণত হতে পারে রীতিমত আবাদি ক্ষেত।
বাসা বা যেকোনো ভবনের ছাদও হতে পারে ফল ফসলে পূর্ণ একটি মাঠ। এই আহবান বহুদিনের পুরনো হলেও এমন কাজে যুক্ত মানুষের সংখ্যা হাতে গোনা। এদেরই একজন রাজধানীর ইস্কাটনের সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের বসবাসকারী সুফিয়া আখতার জাহান।
সুফিয়া আখতার জাহান জানান, ‘সরকারি চাকুরির কারণে আমরা বিভিন্ন জায়গায় বদলি হয়েছি। চাঁদপুরে থেকেছি, হাজীগঞ্জ, কুমিল্লা যেখানেই থেকেছি যতটুকু জায়গা পেয়েছি স্বামী-স্ত্রী মিলে বাগান করেছি। একটা লাউগাছ লাগিয়েছি কিছুদিন পর দেখা যাচ্ছে প্রচুর লাউ আসছে।
আমরা সেখানে চাল ধোয়া পানিটা দিচ্ছি, ডাল ধোয়া পানিটা দিচ্ছি। মুলার জন্য আমি তো একবার কুমিল্লায় থার্ড প্রাইজ পেলাম।’
সাত বছর আগে শুরু করা এ বাগানে রয়েছে অর্ধশত প্রজাতির গাছ গাছালি। সবজি ও ফলের পাশাপাশি রয়েছে ঔষধী গাছও। ছোট পরিসরে গড়ে তোলা হয়েছে রাজহাসের খামার।
তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্মীপুর যখন ছিলাম ওখানে একটা পরিত্যাক্ত বাড়ি ছিলো। সেখানে আমরা মিনি পুকুর করলাম। সেখানে মাছের চাষ করলাম। সেই সঙ্গে যতো সবজি সব আমরা ওখানে করলাম। আমরা হাস পাললাম মুরগি পাললাম।’
ছাদে বাগান করেই এস এ জাহান পেয়েছেন জাতীয় স্বীকৃতি। তার বিশ্বাস, ছাদে বাগান করেই পাল্টে দেয়া যেতে পারে রাজধানী ঢাকা। বাগান বিলাস কিংবা কৃষির প্রতি টান যাই বলা হোক এ উদ্যোগগুলোই ঢাকার বসবাস যোগ্যতা টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছে।
(এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখবেন বৃহস্পতিবার দুপুরের চ্যানেল আই সংবাদের পর ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ডাক’ অনুষ্ঠানে)






