তামিম-মুশফিক-সৌম্যরা যখন জিমে ফিটনেস ট্রেনারের অধীনে ঘাম ঝড়াচ্ছেন। তখন একাকী একাডেমি মাঠের নেটে বোলিং করে যাচ্ছেন তাসকিন আহমেদ। আর তা দেখছেন একজন। চোখের দেখায় মনে হতে পারে বোলিংয়ের বিশেষ কোনো কাজ করছেন তাসকিন। আসলে তা নয়, বোলিং ফিটনেসের পরীক্ষা দিচ্ছেন ফিজিও থিহান চন্দ্রমোহনের কাছে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল বৃহস্পতিবার ঠিক করে ফেলেছেন নির্বাচকরা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে। তার একদিন আগে শনিবার বোলিং ফিটনেসের পরীক্ষা দিলেন তাসকিন। এই দৃশ্যটাই বলে দিচ্ছে এই তরুণ পেসারের টি-টুয়েন্টি দলে থাকা নিয়ে সংশয় কিছুটা হলেও আছে।
পিঠে ব্যথা না থাকলেও তাসকিনের পুরোদমে বোলিং শুরু এটাই প্রথম। এখনও শতভাগ ফিট না হওয়ায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজে যে খেলা হচ্ছে না তা টের পেয়েছেন নিজেও, ‘টি-টুয়েন্টি দলে থাকা হবে কিনা জানি না। এই সিরিজে থাকার সম্ভাবনা কম। পুরোপুরি ফিট হয়ে পরের সিরিজের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) জন্য হয়তো অপেক্ষা করতে হবে।’
তাসকিনের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভালো হলে ঝুঁকি নিতে পারতেন নির্বাচকরা। মেহেদী হাসান মিরাজের ক্ষেত্রে যেমন নেয়া হচ্ছে। কাঁধে কিছুটা ব্যথা অনুভব করলেও দলে রাখা হচ্ছে এ অফস্পিনারকে। শেষ মুহুর্তে যদি ব্যথামুক্ত না হতে পারেন তাহলে বিকল্প ভাবা হবে মিরাজের বেলায়।
তাসকিনের ক্ষেত্রে সেটি না হওয়ার কারণ নিধাস ট্রফির পারফরম্যান্স। শ্রীলঙ্কার মাটিতে দুই ম্যাচে ৬ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ৬৮ রান। দুই ম্যাচেই অবশ্য একটি করে উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।
টি-টুয়েন্টি দলে বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। নিবাচকরা আভাস দিয়েছেন নিধাস ট্রফির দল থেকে দুটি পরিবর্তনের। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনও মনে করেন বেশি পরিবর্তন দরকার নেই, ‘নিধাস ট্রফির থেকে বেস্ট পসিবল সাইড নিয়েই আমরা খেলব। ওখান থেকে চেঞ্জ করা দরকার হলে দু-একটা টিউন করা হবে। আমি মনে করি না, খুব বেশি পরিবর্তন হওয়া জরুরি বা হবে। আমার মনে হয়, কন্ডিশনকে মাথায় রেখে যতটুকু করা দরকার সেটাই করা হবে।’
তাসকিন থাকছেন না মোটামুটি নিশ্চিত। তাসকিনের জায়গায় কে ঢুকছেন বা দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে কে বাদ পড়ছেন আর তার জায়গায় কে ঢুকছেন সেটি জানা যাবে রোববার দুপুরেই।







