বাণিজ্য নয় বরং দীর্ঘমেয়াদের একটি জনপ্রিয় টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট লিগ হিসেবে বিপিএল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে বিসিবি। তবে আগের দলগুলোর বেশিরভাগই থাকছে না নতুন বিপিএলে। লিগ চালাতে আগের চেয়ে খরচও অর্ধেকে নেমে আসছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর। যেকোনো মূল্যে আগামী নভেম্বরে নতুন-আঙ্গিকে বিপিএল শুরু করার সব প্রস্তুতিই প্রায় শেষ।
২০১২ তে প্রথম, আর ১৩ তে দ্বিতীয় আসর বসেছিলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের। এরপর থেকে ঘরোয়া এই টি-টুয়েন্টির এই লিগ বন্ধ।
আয়োজকরা আগের দুটো আসরকে সবসময়ই ‘সফল’ বলতে চান। কিন্তু ক্রিকেটারদের পেমেন্ট, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির অনিয়ম-দুর্নীতি আর সবশেষে ক্রিকেটার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বিপিএলের গায়ে।
এই সব ‘কালিমা’ পরিস্কার করে আবারও বিপিএল শুরু করার সিদ্ধান্তে বিসিবি। আগের দুই আসরের তিক্ততা থেকে শিক্ষা নিয়ে- এবার শুধুই বাণিজ্যিক নয় বরং ‘ক্রিকেট-বান্ধব’ টি-টুয়েন্টির আসর জমানোর পরিকল্পনা তাদের।
বিসিবি পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান, প্রথম দুইটা বিপিএলে আমরা চিন্তা করেছিলাম এটা হবে পুরোপুরি বাণিজ্যিক। সে এমন একটা অবাস্তব কাঠামো ছিলো যে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং আমাদের মার্কেটের সাথে সেটা কোনো ভাবেই ঠিক ছিলো না। শুধু বাণিজ্যটা প্রধান তাই না। এই চিন্তার মধ্যে যারা আসবে-আসলে তারা ক্রিকেটকে ভালোবাসে। ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে চায়, আমরা তাদেরকেই পাশে চাই।
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির খোঁজে বিজ্ঞাপন দেয়া শেষ, চলতি মাসের ১৭ তারিখের মধ্যে নিশ্চিত হতে পারে তাদের সংখ্যা। তাদের জন্যও আছে সুখবর- কমে আসছে লিগ চালানোর যাবতীয় খরচ।
খরচ কমার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্র্যাঞ্চাইজির খরচ আমরা কমিয়ে এনেছি। একটা দলের কোনো ভাবেই ৭-৮ কোটি টাকার বেশি খরচ হবে না। আগে যেটা ১৫-২২ কোটি টাকা খরচ হতো। আমরা এমন একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে চেয়েছি যেটা টুর্ণামেন্টটাকে স্থায়িত্ব দেবে।
আগের দুই আসরের বিতর্কিত ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ভারতের ‘গেইম-অন’ থাকছে না। টেলিভিশন রাইটস নিয়েও কোন ঝামেলা নেই।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিলামে কি হচ্ছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা নিলাম করে মূল্যটা বাড়িয়ে দিচ্ছে কিন্তু তারা মূল্যটা পরিশোধ করছে না।
ভারত ছাড়া বাকী সব দেশের ক্রিকেটাররাই খেলবে বিপিএলে, সব বাধা-আপত্তি দূরে ঠেলে আসবে পাকিস্তানী ক্রিকেটাররাও।







