এবারের প্রস্তাবিত বাজেট মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর চাপ বাড়াবে। ব্যাংক খাতের নৈরাজ্য দূর না করে উল্টো ব্যাংকগুলোর কথায় কর্পোরেট কর কমানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের বাজেটকে নবীন বাংলাদেশের জন্য একটি প্রবীণ বাজেট বলে উল্লেখ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।
সিপিডি তাদের পর্যবেক্ষণে আরো বলেছে, দেশের উঠতি অনলাইন নির্ভর নতুন ব্যবসা-উদ্যোগগুলোর সামনে কর-ভ্যাটের চ্যালেঞ্জ এবং বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রায় চলতি বছরের তুলনায় কোন পরিবর্তন আসেনি। গত ৫ বছরে প্রবৃদ্ধি হলেও আয় বৈষম্য বেড়েছে, বাজেটে উল্লেখিত মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ধরে রাখা কঠিন বলেও জানায় সংগঠনটি।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট কর কমানো হয়েছে। এক্ষেত্রে মালিকপক্ষেরই বেশি লাভ হবে। নৈরাজ্য বন্ধ না করে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের চাপে কর্পোরেট করহার কমানোর সিদ্ধান্ত অনিয়ম উসকে দেবে। গেল পাঁচ বছরে ভালো প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আয়ের বৈষম্য বেড়েছে। গরিব মানুষের সঞ্চয় করার ক্ষমতা কমেছে। কেন এই কর কমানো হয়েছে তার পেছনে যৌক্তিক ও প্রশাসনিক কোনো কারণ দেখছি না। ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যের মধ্যে এ ধরনের করপোরেট কর ছাড় দেয়া ঠিক হয়নি।
বাজেটে সামগ্রিকভাবে গরিব ও উচ্চবিত্তকে বেশি মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর মধ্যবিত্তদের মূল্যায়ন তেমন নেই। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কণ্ঠস্বর না থাকায় বিকাশমান অর্থনীতিতে তাদের মূল্যায়ন কম হচ্ছে।
আমরা আশা করি, এবারের বাজেট সাধারণ মানুষের জন্য কষ্ট বয়ে না এনে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে।







