আসন সংখ্যা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং অধিকতর দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দিনে দিনে আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের। জনবল সংকট কেটে গেলে রেলওয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হবে বলে আশা রেলমন্ত্রীর। ২০১৮ সালের মধ্যে রেলওয়ে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে বলেও আশা তার।
নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী গণপরিবহন হিসেবে যাত্রীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রেলওয়ে। শতবর্ষী এই প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে ৮০’র দশকের পর থেকে প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে আসছে সরকার।
প্রতি বছর সেই ভর্তুকির পরিমাণ কমার পরিবর্তে বেড়েছে বহুগুন। যার উদাহারন সর্বশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রেলওয়ের লোকসানের পরিমান ছিল ৯’শ ৫৮ কোটি টাকা।
এ অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে, যাত্রীদের আস্থা ফিরেয়ে আনার পাশাপাশি বাড়ানো হচ্ছে সেবার মান ও আসন সংখ্যা। বিনা টিকিটে যাত্রী চলাচল বন্ধে নজরদারিও বেড়েছে।
বিনা টিকিট যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে গত ছয় মাসে আয় বেড়েছে প্রায় এক’শ কোটি টাকা। দায়িত্বে অবহেলার কারনে ছয় মাসে বরখাস্ত হয়েছেন অর্ধশত রেলওয়ে কর্মচারী।
রেল মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, মেগা প্রকল্পসহ চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে জনবল সংকট কাটিয়ে রেলওয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
শুধু যাত্রী পরিবহণ নয় রেলওয়েকে লাভজনক করতে হলে পণ্য পরিবহণ বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলেও মনে করে প্রশাসন।







