বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। রাজনৈতিক কারণে নয়, শ্রমিকদের উন্নয়ন সুবিধা দিতে ব্যর্থতার কারণেই জিএসপি সুবিধা ফিরেনি বলে মনে করছেন তিনি।
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ মিলনায়তনে বিআইআইএসএস এবং বিইআই আয়োজিত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক উন্নয়নের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা বললেন, প্রতিবেশীসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
‘জিএসপি সুবিধা নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছেন। তবে এটা পাওয়া না পাওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের কোনো যোগসূত্র নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড.গওহর রিজভী বলেন, জিএসপি সুবিধা দেয়া মার্কিন তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। তবে এর সাথে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের কোনো যোগসূত্র নেই। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশ গভীর হয়েছে, বেড়েছে পরিসর-ব্যাপ্তি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য দ্রুত সম্প্রসারণশীল বাজার খুঁজছে। কিন্তু শাসন ব্যবস্থার ত্রুটির করণে তারা এ দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে না। ড. রিজভী বলেন, তারা আমাদের সার্বিক প্রস্তাবনা-উপস্থাপনায় ইতিবাচক সাড়া দিলেও দেশের শাসন ব্যবস্থা নেতিবাচক প্রভাব রাখে। যা বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আসা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনাগ্রহ তৈরি করে।
দেশের ভাবমূর্তি বাড়াতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদারের তাগিদ দেন সেমিনারে অংশ নেয়া আলোচকরা।






