ছ্টিমহল সমস্যার সমাধানসহ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন বিষয়ে সম্পর্কের উন্নয়ন হলেও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড এখানো বন্ধ হয়নি। এমন মন্তব্য করে বিজিবি মহাপরিচালক বলেছেন, একজন বাংলাদেশীও ভারতীয় সীমান্তে অবৈধ ভাবে যাবে না, এমন নিশ্চয়তা পাওয়া গেলে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হতো।
বিগত তিন বছরে বিজিবি’র সাফল্য নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার এসব কথা বলেন তিনি।
আগামী বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৩৯৮ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত আর অরক্ষিত থাকছে না, ওই সীমান্তে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বিওপি ও রাস্তা নির্মাণের কাজ। এমন আশার কথা জানিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
তিনি বলেন, বন্ধ না হলেও সীমান্ত হত্যা কমে এসেছে।
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত হত্যার ফিগারটা কমে এলেও তা শূন্যতে আসেনি। আমার যদি এমন কোন সামর্থ্য থাকতো যে আমার দেশের একটা লোকও বর্ডার ক্রস করবে না তাহলে কিন্তু এটা শূন্য না হলেও একেবারে কাছাকাছি চলে আসতো।
তিনি বলেন, গত তিন বছরে আরো অনেক বেশি আধুনিক হয়েছে বিজিবি।
মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, আমাদের ট্রেনিংয়ে আমূল পরিবর্তন এনেছি। নতুন নতুন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে সবকিছু করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজিবি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট গঠন করা হয়ছে। এর আওতায় থাকছে প্রস্তাবিত সীমান্ত ব্যাংক। এগিয়ে চলছে একশ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপনের কাজ।







