কখনও ছিটকে পড়া। কখনও ম্যাচে ফেরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ২৩৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এভাবেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে ৭ রানের সহজ সমীকরণ মেলানো যায়নি দুই উইকেট হাতে নিয়েও।
শেষ বলে স্বাগতিকদের দরকার পড়ে ২ রান। স্ট্রাইকে অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। ফুলটস বল পেয়েও ব্যাট চালাননি। আলতো করে পয়েন্টে ঠেলে নিলেন ১ রান। ‘নো’ বলের আশায় তাকিয়ে রইলেন আম্পায়ারের দিকে। উল্লাস তখন পাকিস্তান শিবিরে। মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়লেন সাইফউদ্দিন ও নাঈম হাসান।
ওপেনার সাইফ হাসান ও আজমীর আহমেদ ফিরে যান ২৪ রানের মধ্যে। নাজমুল হোসেনকে নিয়ে সেই চাপ সামাল দেন মুমিনুল। ‘লোকাল বয়’ ৭৫ করে ফিরে গেলে আবার চাপে পড়ে বাংলাদেশ। আশা দেখান মোহাম্মদ মিঠুন। হাফসেঞ্চুরি করার পর মিঠুন বিদায় নিলে আবারও চাপ বাড়ে স্বাগতিকদের।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুর ধাক্কা সামলে মুমিনুল-নাসিরদের সামনে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় পাকিস্তান। ৩৫ রানে ৪ উইকেট তুলে সাইফউদ্দিন, আবুল হাসানরা চাপ সৃষ্টি করে পাকিস্তান শিবিরে। পরে জাতীয় দলের হয়ে খেলা হারিস সোহেল ও হাম্মাদ আজম জুটি গড়ে সেই বিপদ কাটান।
পঞ্চম উইকেটে আসা ৮৬ রানের জুটি পাকিস্তানের মাঝারি মানের সংগ্রহ গড়তে ভূমিকা রাখে। ৬৩ রান করে ফেরেন হারিস। ৩০ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। হুসাইন তালাতের অপরাজিত ৫৭ রানের ইনিংসে সংগ্রহ দুইশ পেরোয়। জাফর গহর ২২ রানের ইনিংস খেলেন।
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন তিনটি উইকেট নেন। শুরুর দুটি উইকেট নিয়ে পাক শিবিরে ধ্বস নামান এই পেসার। আবুল হাসান রাজু ও নাসুম আহমেদ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট নাঈম হাসানের।








