গুলশানের সন্ত্রাসী হামলায় ৭ নাগরিক নিহত হওয়ার পর জাপানি সরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাহার করা হতে পারে। মার্কিন দৈনিক ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি(জাইকা) বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, ভবন, সেতু-সড়ক ও রেলপথসহ কয়েক ডজন প্রকল্পের সাথে জড়িত।
জাইকার একজন মুখপাত্র ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ের হত্যাকাণ্ডের পর তারা বাংলাদেশ থেকে সাহায্য এজেন্সিগুলো প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা করছি।
শুক্রবার রাতে সেখানে জঙ্গিরা ১৭ বিদেশী ও তিন বাংলাদেশীসহ ২০ জনকে হত্যা করে। এর মধ্যে ৭ জন জাপানি নাগরিক। নিহত ৭ জাপানি নাগরিকের মধ্যে ছয়জনই মেট্রোরেল প্রকল্পের সমীক্ষকTক। তারা টোকিওভিত্তিক ওরিয়েন্টাল কনসালটেন্ট গ্লোবাল কোম্পানি এবং কাতাহিরা এন্ড ইঞ্জিনিয়ারস ইন্টারন্যাশনালের হয়ে ঢাকায় এসেছিলেন।
জাপানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে একজন জাপানিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতদের সবাই বাংলাদেশের উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল উল্লেখ করে সাত নাগরিকের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
জাইকার প্রেসিডেন্ট শিনিসি কিয়াটোকা বলেন, গত অক্টোবরে দেশের উত্তরাঞ্চলে এক জাপানি নাগরিক নিহত হওয়ার পরই বাংলাদেশকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
জাইকার সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নখাতে অনুদান সহ ৪৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইয়েন(৪৭৯ মিলিয়ন ডলার) খরচ করেছে।
ডেপুটি চিফ ও কেবিনেট সেক্রেটারি কোইসি হাকিউদা সোমবার বলেছেন, নিহতদের পরিবার ও জাইকা স্টাফরা এরই মধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে। তাদের যথাসম্ভব দ্রুততর সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







