বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিশাল এক ঐশ্বর্য রয়েছে প্রাকৃতিক শৈবালের। খাদ্য উপযোগী বিভিন্ন জাতের শৈবালের পরিকল্পিত চাষের দারুণ সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যে গবেষণাও এগিয়েছে বেশ দূর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এদিকে দৃষ্টি দেয়া হলে সূচিত হবে ব্লু ইকোনমির এক নতুন দিগন্ত।
কুল কিনারাহীন বিস্তীর্ণ এই জলরাশি শুধু গর্জন আর ঢেউয়েই সীমিত নয়, এটি অফুরন্ত সম্পদের এক ভাণ্ডার। সাগরতীরের নোনা পানির এই ঘোলা অংশ পেরিয়ে গেলে স্বচ্ছ পানির গভীরতায় রয়েছে বৈচিত্রময় এক সম্পদ ‘শৈবাল’।
পৃথিবীর অনেক দেশেই শৈবাল এক অনন্য অর্থকরী সবজি। বাংলাদেশে ক্ষুদ্রনৃতাত্ত্বিক সমাজে উপাদেয় সবজি হিসেবে সমুদ্র শৈবাল খাওয়ার চল রয়েছে।
একই সঙ্গে শুরু হয়েছে পরিকল্পিতও চাষও। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধানে চলছে শৈবাল নিয়ে নানামুখি গবেষণার কাজ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গবেষণার শুরুটা ২০১৬ সালে। এখন দিনে দিনে উন্মোচন হচ্ছে সামুদ্রিক শৈবালের নানামুখি ব্যবহার ও উপকারিতা।
আরও দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







