আগামী জুনে এএফসি এশিয়ান কাপ খেলতে মালয়েশিয়া যাবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। আসরে অংশ নেয়ার আগে জামাল ভূঁইয়াদের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
কম্বোডিয়া, লাওস,এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে বাফুফে। তবে লাল-সবুজের দলের সঙ্গে না খেলার কথা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে কম্বোডিয়া।
ফিফা র্যাংকিংয়ে বর্তমানে ১৭১তম অবস্থানে আছে কম্বোডিয়া। তাদের চেয়ে ১৭ ধাপ পেছনে থাকা বাংলাদেশ আছে ১৮৮তম স্থানে। তবে কি র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ পেছনে থাকাতেই কম্বোডিয়ার খেলতে না চাওয়া?
শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ অবশ্য জানালেন ব্যাপারটি মোটেও র্যাংকিংয়ের নয়।
কম্বোডিয়া তাদের পার্শ্ববর্তী একটি দেশের সঙ্গে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আগ্রহী। তারা পরিষ্কারভাবেই জানিয়েছে আমাদের সঙ্গে খেলতে চায় না।
সোহাগ জানান, লজিস্টিক কিছু ব্যাপারের কারণেই কম্বোডিয়া খেলতে চাইছে না। তাছাড়া কোভিড পরিস্থিতিও একটা কারণ।
লাওস এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ম্যাচের ব্যাপারে যোগাযোগ হওয়ার কথা জানিয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক জানান, এই দুই দল বাংলাদেশে আসতে চাইছে না। তারা চাইছে আমরা যেন তাদের দেশে গিয়ে খেলি।
ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে খেলার পর সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়াটা যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কম দূরত্বের জন্য সহজ। তাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদিও লাওসের সঙ্গেও হতে পারে ম্যাচ।
জামালদের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা মিয়ানমারের সঙ্গে ম্যাচ খেলা যায় কি না তা নিয়ে বাফুফে কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান সোহাগ।
এদিকে কলকাতায় এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে যাবে বসুন্ধরা কিংস। দলটির অনেক খেলোয়াড় অবধারিতভাবেই জাতীয় দলে জায়গা পেতে যাচ্ছেন।
কলকাতায় খেলতে গেলে তাদের ছাড়াই ট্রেনিং ক্যাম্প হবে কি না , সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি। আগে শুরু হলে পরবর্তীতে তারা ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে পারে এমন ইঙ্গিতও দেন আবু নাইম সোহাগ।








