যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চায় না জানিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগের কংগ্রেস কমিটির হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভের চেয়ারম্যান গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় ‘বাংলাদেশীজ ফর গ্রেগরি মিকস’ মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে গ্রেগরি মিকস আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পাশে রয়েছে।’
‘‘আরোপিত নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয় বরং র্যাবের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্র সব সময় দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়।”
এ বছরই বাংলাদেশ সফরে আসার কথাও জানান তিনি।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে গত বছর ডিসেম্বরে র্যাবের বর্তমান ও সাবেক ৯ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ ও পররাষ্ট্র দপ্তর।
ওই কর্মকর্তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞার কথাও জানানো হয় তখন। এরপর থেকেই নিষেধাজ্ঞার ইস্যু নিয়ে দুই দেশের কূটনীতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেনও সেই নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতাকে নিয়ে একাধিকবার বক্তব্য দিয়েছেন।
কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাবের মোরশেদ আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায়, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।







