বাংলাদেশের তাপমাত্রা বাড়ছে। বাড়ছে বৃষ্টি, ঝড় আর খরাও। বাংলাদেশের আবহাওয়া রিপোর্টে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে। গত ৩০ বছরের আবহাওয়া বিশ্লেষণ করে এ রিপোর্ট দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আবহাওয়ার গতি প্রকৃতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে বাংলাদেশের আবহওয়া ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে । স্বাভাবিকের তুলনায় খারাপের দিকে যাচ্ছে রাজশাহী, ঢাকা, বরিশালের আবহওয়া। বাংলাদেশের আবহাওয়ার এই রিপোর্ট করতে সহায়তা করেছে নরওয়েজিন মেট্রেলজিক্যাল ইনস্টিটিউট।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন বলেন, শৈত্য প্রবাহ, বর্ষাকাল এগুলো বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে কত দিন করে হচ্ছে, কি রকমের প্রভাব পড়ছে এ জিনিসগুলো সাধারণ মানুষের জন্য খুবই উপকারী। আমরা ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত রিপোর্টে আমরা দেখেছি যে ৩৪টি স্টেশনে আবহাওয়ার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উর্ধ্বমুখী।
প্রতিরক্ষা সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিনিয়ত ভূমির ওপর অত্যাচার ও ভূমি কমে যাওয়া সহ সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া পরিবর্তিত হচ্ছে। ঝড়, জলচ্ছাস বন্যার মতো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সব সময়ই দুর্যোগ মোকাবেলা করে। দুর্যোগ মোকাবেলায় বাড়তি প্রস্তুতি গ্রহন করতে নানা কার্যক্রম গ্রহন করছে সরকার।
আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব সময়ই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মেরিটা লনডিমো বলেন, আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি আমাদের সবারই জানা উচিত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া গেলে জানমালের ক্ষতি কম হয়।
প্রকৃতিকে মোকাবেলা করেই সবাইকে বাঁচতে হয়, আর এ জন্যেই প্রয়োজন ব্যাপক প্রস্তুতি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩৪টি স্টেশনের নিয়মিত আবহাওয়া বিশ্লেষন করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।









