বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আম্পায়ারিং করতে এসেছেন পাকিস্তানের আলিম দার, ইংল্যান্ডের ইয়ান গৌল্ড ও নিউজিল্যান্ডের নাইজেল লং। আগেও কয়েকবার একই দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশে এসেছেন তারা। তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ আলিম দারের হোম অব ক্রিকেট মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম ভালোই চেনা। চেনা পথ ধরেই শনিবার হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলেন ইনডোরে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন দেখতে।
মোস্তাফিজ—তাসকিন-মিরাজরা তখন নেটে বল করছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন শক্তি হয়ে ওঠা দলটি কীভাবে অনুশীলন করে সেটি জানার কৌতূহল থেকেই দার হয়ত ঢুঁ মেরেছিলেন ইনডোরের আউটার গ্রাউন্ডে।
আলিম দার ও ইয়ান গৌল্ডকে নিয়ে বাংলাদেশের একটা দুঃস্মৃতি আছে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে মাটিতে নামিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল। ভারতের বিপক্ষে কোয়ার্টাল ফাইনাল ম্যাচে দুটি মহা-বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেন অনফিল্ড আম্পায়ারিংয়ে থাকা এই দুজন।
বিশ্বকাপের ওই ঘটনায় বাংলাদেশের ক্রিকেটার-কোচদের সঙ্গে সম্পর্ক যে খারাপ হয়ে যায়নি, সেটি বোঝানোও দারের এই আকস্মিক অনুশীলন-পর্ব ভ্রমণের কল্পিত কারণ হতে পারে! সম্পর্কটা যে আসলেই খারাপের দিকে যায়নি সেটির প্রমাণও মিলল শনিবারের অনুশীলনে।
কিছুক্ষণ পর গৌল্ডকে সঙ্গে নিয়ে পুরো স্টেডিয়াম চক্কর দিচ্ছিলেন দার। ইনডোরে অনুশীলন দেখে ফিরছিলেন দুই নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার সুমন। বাংলাদেশের সাবেক দুই ক্রিকেটারকে পেয়ে খানিকক্ষণের আড্ডাও দিলেন আলিম দার। পাশে থাকা গৌল্ড, লং শুভেচ্ছা বিনিময় করে শুরু করলেন হাঁটা। দার হাবিবুলদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে বাউন্ডারি সীমানা ঘেঁষে হাঁটা শুরু করলেন।

রোববার শুরু হওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে মাঠে আম্পায়ারিং করবেন আলিম দার ও নাইজেল লং। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে ইয়ান গৌল্ড ও নাইজেল লং। দুটিতেই ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো।
ক্রিকেট ইতিহাসে টেস্ট ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বার আম্পায়ারিং করেছেন ৪৯ বছর বয়সী আলিম দার। মিরপুরে টেস্ট হতে যাচ্ছে তার ১১৪তম ম্যাচ। এরপর আর ১৫টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করতে পারলেই ছাড়িয়ে যাবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টিভ বাকনারকে।
১৯৮৯ থেকে ২০০৯, এই বিশ বছরে ১২৮টি টেস্ট ম্যাচে আস্পায়ারিং করেছিলেন বাকনার। ২০১৩ থেকে ২০১৭, মাত্র ১৪ বছরেই বাকনারের কাছাকাছি চলে এসেছেন দার।









