বাংলাদেশের শ্রমিকরা যেন শক্তিশালী পেশাগত ও স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার দ্বারা সুরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।
শনিবার স্পেক্ট্রা কনভেনশন হলে ‘ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবনের পথে’ নামক একটি অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশের কারখানার অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কর্মসূচীর মাধ্যমে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কারখানা ও স্থাপনা অধিদপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেসামরিক প্রতিরক্ষা অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরকে তাদের অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা আইনের প্রায়োগিক উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ, সরঞ্জামাদি, নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
শ্রমিকরা যেন অগ্নি নিরাপত্তা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সম্পর্কিত বিষয়গুলো বুঝতে পারে এবং কারখানা ব্যবস্থাপক ও সরকারের কাছে বিষয়গুলো কিভাবে জানাতে হবে ও প্রতিকারের প্রস্তাব করতে হবে সেই বিষয়গুলোও জানতে পারে সেই চেষ্টা করছি আমরা।
এসময় শ্রমিকদের নিজেদের কথা তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিকদের জোরালো ও শক্তিশালী মতামত প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেন তারা বলতে পারে ‘আমরা এমন ফেটে যাওয়া দেয়ালের ভবনে কাজ করবো না’ এবং তাহলেই তাদের কথা শোনা হবে এবং সম্মান জানান হবে।
দুর্ঘটনা কমানো যায় কিন্তু বন্ধ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষায় ভালোভাবে প্রস্তুতি দরকার। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে কর্মস্থলের দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হলেও বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই আহতদেরকে আমরা কিভাবে সহায়তা করব সেটা মাথায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিন বছর আগে রানা প্লাজার ভবন ধ্স এবং তার নিচে শ্রমিকদের চাপা পড়ার ঘটনা শ্রমিকদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বিশ্বের নজর কেড়েছে। একদিনে বাংলাদেশ প্রাণ হারিয়েছে ১১ শ’র ও বেশি শ্রমিক এবং আহত হয়ে চিরকালের জন্য গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে শত শত মানুষ।







