গত অক্টোবরে ইংল্যান্ড দলের বোলিং কোচ ছিলেন। ইংলিশদের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত টেস্ট জয়টা খুব কাছে থেকেই দেখেছেন ওটিস গিবসন। এখন দায়িত্বে আছেন সাউথ আফ্রিকার প্রধান কোচের। আর প্রথম মিশনেই বিপক্ষ দলের নাম বাংলাদেশ। শুরু থেকেই তাই সাবধানী গিবসন। চান না টাইগারদের বিপক্ষে কোন ভুল করুক তার দল।
মঙ্গলবার প্রোটিয়াদের প্রধান কোচ হিসেবে সংবাদ মাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিক ভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে গিবসনকে। সেখানেই বাংলাদেশকে নিয়ে হুঁশিয়ারি ঝরল গেইলদের সাবেক কোচদের কণ্ঠে, ‘আমি চাই না বাংলাদেশকে হাল্কাভাবে নিতে। গত বছর নিজেদের মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারাতে দেখেছি তাদের। তাদের নিয়ে আমরাও স্বস্তিতে থাকতে পারি না।’
ওয়ানডের পাশাপাশি সাদা পোশাকের ক্রিকেটেও বাংলাদেশ একটি আমূল বদলে যাওয়া দল। কদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক টেস্ট জয়ে উন্নতিটা চোখে পড়েছে আরেকবার। চলতি বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কাকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এসেছেন মুশফিকরা। সেটিও মনে আছে গিবসনের, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও তাদের ম্যাচ জিততে দেখেছি। তারা আত্মবিশ্বাসী টেস্ট দল। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হয়েই দেখা দেবে।’
বাংলাদেশকে নিয়ে হুঁশিয়ারির পাশাপাশি টাইগারদের প্রধান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে এবং বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশেরও প্রশংসা করেছেন প্রোটিয়াদের নতুন কোচ। তার মতে বাংলাদেশের বদলে যাওয়ার পেছনে হাথুরু এবং ওয়ালশদের চাতুরতাই কাজ করছে বেশি, ‘তাদের রয়েছে ওয়ালশের মত বোলিং কোচ। প্রধান কোচ হাথুরুসিংহেও দারুণ একজন। তাদের কারণেই বাংলাদেশ আজ শক্তিশালী অবস্থানে এসেছে।’
২৮ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রমে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে শুরু হবে গিবসনের সাউথ আফ্রিকা অধ্যায়। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজে আরও একটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং দুটি-টি টুয়েন্টি খেলবে লাল-সবুজের দল।








