বল টেম্পারিংকাণ্ডে এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন মূল হোতা স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন বেনক্রফট। বিলিয়ন ডলারের আইপিএল খেলার পথও বন্ধ হয়েছে স্মিথ-ওয়ার্নারের। এই কেলেঙ্কারির মূল্য চোকাতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটকেও। ইমেজ রক্ষায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় স্পন্সর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে ম্যাগেলান ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপ লিমিটেড।
বল টেম্পারিংকাণ্ডে উত্তাল এখন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট। তার মধ্যে স্পন্সরদের সরে যাওয়া তাদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার ম্যাগেলান সিএ’র সবচেয়ে বড় স্পন্সর থেকে সরে যাওয়ার কথা জানায়। ২০১৭ সালে সিএ’র সঙ্গে ম্যাগেলানের চুক্তি ছিল ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের।
এক বিবৃতিতে ম্যাগেলন বলেছে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাথে তিন বছরের চুক্তির প্রথম একবছর শেষ হয়েছে। যার মাধ্যমে সততা, ত্যাগ, নেতৃত্ব, এবং গ্রাহক-প্রথম সংস্কৃতির’ ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
ম্যাগেলানের প্রধান নির্বাহী হামিশ ডগলাস বলেন, ‘কিন্তু সাউথ আফ্রিকায় তৃতীয় টেস্টের সময় অপ্রত্যাশিত সুবিধা অর্জনের জন্য স্পষ্ট অভিপ্রায় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট ক্রিকেট দলের নেতৃত্বের ষড়যন্ত্র নীতিমালা ভেঙ্গেছে, যা সত্যিকারের আন্তরিকতার সাথে যায় না। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি আমাদের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যার কারণে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের সাথে আমাদের চলমান অংশীদারিত্বের অবসান ঘটানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।’
এর আগে প্রযুক্তি জায়ান্ট কোম্পানি এলজি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর থেকে ডেভিড ওয়ার্নারকে ছেঁটে ফেলে। আর ‘ওয়েট-বিক্স কিড’ তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর থেকে সরিয়ে দিয়েছে স্মিথকে।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দের সঙ্গে টুইটারে যোগাযোগের স্পন্সর আরেক প্রযুক্তি কোম্পানি এএসআইসিএসও তাদের সম্পর্ক চুকিয়ে নেয়। সুর চড়া করেছে কান্তস এবং কমনওয়েলথ ব্যাংকও। বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে হতাশা প্রকাশ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো অ্যাকশন নেয়নি ব্যাংক দুটি।








