হাজারো পাখির স্বর্গরাজ্য আমাদের এই বাংলাদেশ। এই পাখিরা প্রাকৃতিক শোভাবর্ধনের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশ ব্যবস্থায় রেখে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এদের মধ্যে বেশ কিছু প্রজাতি বর্ষাকালে বাসা তৈরি করে প্রজনন সম্পন্ন করে।
নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো শুভ্র বকের দল আর গাছে বসে থাকা পানকৌড়ি বা শামাখোল বাংলাদেশের খুবই পরিচিত পাখি। গ্রাম বা শহরে সব জায়গাতেই বাড়ির আশেপাশে এই পাখিগুলোকে দেখা যায়। এদের বেশিরভাগ প্রজাতিই সাধারণত বর্ষাকালে প্রজনন সম্পন্ন করে।
এ সময় এই পাখিদের দেহে নানা ধরণের বৈচিত্র্য দেখা যায়। কোনো কোনো পাখির ঘাড়ের পেছনে লম্বা পালক দেখা যায়, আবার কোনো কোনো পাখির পালকের রঙে আসে ঔজ্জ্বল্য।
প্রজননকালে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি একসঙ্গে কলোনিতে বাসা তৈরি করে। খাদ্যের সহজলভ্যতা ও নিরাপদ বাসা তৈরির জন্য এরা সাধারণত জলাধারের পাশের উঁচু গাছগুলোকেই বেছে নেয়। এই পাখিদের এক একটি কলোনিতে শত শত পাখি একসঙ্গে বাসা তৈরি করে। নানা ধরণের গাছপালা ও খড়কুটো দিয়ে এরা চমৎকার বাসা তৈরি করে।
নিবিড় পরিচর্যায় ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে পাখিদের ছানাগুলো। তারপর দিগন্তে ডানা মেলে উড়ে যায়।








