বরিশালের সন্ধ্যা নদীতে এমএল ঐশি লঞ্চ ডুবিতে এ পর্যন্ত ৫ নারী ও শিশুসহ ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২৮ জনেরও বেশি ।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দলের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার এর নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান চলছে।
তিনি জানান, লঞ্চ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চটি স্রোতের টানে ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে চলে গেছে বলে জানান তিনি। নদীর তলদেশে লঞ্চটিকে সনাক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধারে বরিশাল থেকে রওয়ানা হয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিক।
লঞ্চ ডুবির ঘটনায় ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিকে।
বুধবার সকালে এমএল ঐশি নামে যাত্রীবাহী লঞ্চটি ৩০/৪০ জন যাত্রী নিয়ে বানারীপাড়া থেকে ছেড়ে উজিরপুরের হাবিবপুরে যাচ্ছিল। পথে কালিবাজার ও দাশের হাটে ঘাট দেয়ার পর বেলা ১২ টার দিকে ভাঙ্গনের মুখে পরে ডুবে যায়।
৫/৬ জন যাত্রী লাফিয়ে তীরে উঠেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল তা এখনও জানা যায়নি। লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল তা জানা না গেলেও নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।







