ফারুক হোসেন,গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ১২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র,তিস্তা ও ঘাঘট নদীর স্থিতিশীল রয়েছে। এদিকে বন্যার পানিতে ডুবে সদর উপজেলার বাটিকামারী চরের ১৮ মাসের শিশু সুমাইয়া এবং ফুলছড়ি উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের দু বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৮ সে.মি. ও ঘাঘট নদীর পানি জেলা সদরের ডেভিট কোম্পানি পাড়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা কবলিত এসব এলাকার পানিবন্দী মানুষরা খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটসহ নানা সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে।
জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নে ১শ’ ৯০টি গ্রামে ২ লাখ ১০ হাজার বন্যা কবলিত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলায় ২৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে সাড়ে ৩ হাজার লোক আশ্রয় গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২শ’ ২৫ মে.টন চাল, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ অধিকাংশ মানুষের।








