কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। এ দুই জেলায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এক লাখেরও বেশি পরিবার। সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে সুরমা নদীর পানি আরো বেড়েছে।
কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে চলা ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমারসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি এক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। জেলা সদর, চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর, ফুলবাড়ী ও নাগেশ্বরী উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।
বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কাঁচাপাকা সড়ক ডুবে গিয়ে ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। যাত্রাপুরহাটের তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বন্ধ রয়েছে দেড়শ’রও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
যমুনা ও ব্রক্ষপুত্র নদীর পানি বাড়তে থাকায় জামালপুরেরও বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। যমুনা নদীর পানি বেড়ে বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। নিরাপদ পানি ও খাবার সংকটে রয়েছেন তারা। সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে সুরমা নদীর পানি আরো বেড়ে যাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।







